Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ভারতে নাশকতার ‘নীল নকশা’ তৈরিতে বৈঠকে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের বিদেশ সচিব

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: ওয়াকফ আন্দোলন নিয়ে মুর্শিদাবাদে অশান্তির পিছনে বাংলাদেশি জঙ্গিদের হাত থাকার নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ পেয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। যাতে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটছে। আর সেই অবনতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) ঢাকায় বৈঠকে বসেছিলেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিদেশ সচিব। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে কীভাবে উত্তর-পূর্ব ভারতকে অশান্ত করা যায় তার নীল নকশা চূড়ান্ত হয়েছে বৈঠকে। আগামী ২৭ এপ্রিল ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী তথা কুখ্যাত জঙ্গি নেতা ইশহাক দার। তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। ওই বৈঠকে ভারতকে সবক শেখানো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।

২০১০ সালে শেষ বার পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল। শেখ হাসিনা জমানায় ১৪ বছর একাত্তরের গণহত্যাকারী পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক কার্যত চুকিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু গত বছরের ৫ অগস্ট ক্ষমতার পালাবদলের পর বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসীন হয় পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতপু্ষ্ঠ মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকার। আর তার পরেই ঢাকা-ইসলামাবাদের সমীকরণ বদলে যায়। এক লহমায় কাছাকাছি চলে আসে বাংলাদেশ ও ইসলামাবাদ।

শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বদলা নিতে ভারতকে সবক শেখাতে ইসলামাবাদের সঙ্গে হাত মেলায় মোল্লা ইউনূস সরকার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ভারতের সঙ্গে লড়ার জন্য প্রস্তুত করতে গণহত্যাকারী পাক সেনাবাহিনীর আধিকারিকদের দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, যশোর, চট্টগ্রামের সেনা ঘাঁটির নিরাপত্তার দায়িত্বও বকলমে তুলে দেওয়া হয়েছে পাক সেনার হাতে। পাকিস্তান থেকে নিয়ে আসা হয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম। স্বাধীনতার পর প্রথমবার শুরু হয়েছে বাণিজ্যিক সম্পর্ক। দুই দেশই জঙ্গিদের আবাধ যাতায়াতের জন্য পরস্পরের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রথা কার্যত তুলে দিয়েছে।

ক্ষমতায় বসার মুখেই একাত্তরের গণহত্যার অন্যতম দোসর মোল্লা ইউনূস হুঙ্কার দিয়েছিলেন, ভারতের সেভেন সিস্টার্স বা উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্যকে অশান্ত করে তোলা হবে। এমনকি জঙ্গি ও চোরাকারবারীদের অবাধ যাতায়াতের জন্য ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত চুক্তি বাতিলের দাবি তুলেছেন জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর পৃষ্ঠপোষক তথা জামায়াত ইসলামীর শীর্ষ নেতা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আর ওয়াকফ নিয়ে যখন উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ ও অসম, ঠিক তখনই ঢাকায় বৈঠকে বসেছিলেন পাকিস্তানের বিদেশ সচিব আমনা বালুচ ও বাংলাদেশের বিদেশ সচিব জসিমউদ্দিন। যিনি আবার বাংলাদেশের কূটনীতিবিদদের কাছে আইএসআইয়ের প্রিয়ভৃত্য হিসাবেই পরিচিত। সকাল দশটা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথিশালায় ওই বৈঠক শুরু হয়। বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে চলে। সূত্রের খবর,  কীভাবে বিজিবি ও বাংলাদেশ উপকূলরক্ষী বাহিনীকে ব্যবহার করে পাক জঙ্গিদের ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করানো যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদে অশান্তি পাকানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশি জঙ্গিরা কীভাবে সফল হয়েছে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি পাকিস্তানের বিদেশ সচিব আমনা বালুচ।  পরে তিনি প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

ওই বৈঠকেই ভারতকে কোণঠাসা করতে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে হাতে হাত মিলিয়ে গভীর সম্পর্ক তৈরি করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। তাঁর কথায়, ‘দুদেশের জনগণের মধ্যে বন্ধন বাড়াতে আরও বেশি যুব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিনিময় করা। আমাদের সম্পর্ক হিমশীতল হয়ে যাওয়ায় আমরা দীর্ঘদিন একে অপরকে মিস করছিলাম। আমাদের প্রতিবন্ধকতাগুলো অতিক্রম করতে হবে।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00