Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কক্সবাজারের রাস্তায় প্রকাশ্যে মার্কিন তরুণীর শ্লীলতাহানি, ইউনূস জমানায় রসাতলে নারী সুরক্ষা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের জমানায় জঙ্গিবাদের পাশাপাশি অভূতপূর্ব উত্থান ঘটেছে ধর্ষক ও বখাটেদের। গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এক রত্তি শিশু থেকে শুরু করে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ-কেউই রেহাই পাচ্ছেন না পাষণ্ডদের হাত থেকে। বেলাগাম ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে দেশ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও তাতে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের। উল্টে সোমবার (১০ মার্চ) সৈকত নগরী কক্সবাজারের রাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকেই শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন এক মার্কিন তরুণী। নির্যাতিতা তরুণী রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি সংস্থার কক্সবাজার কার্যালয়ে কর্মরত। যদিও ওই ঘটনা খুব একটা বড় নয় বলে দাবি করেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার সাইফুদ্দিন শাহীন। তাঁর দাবি, ‘ওই মার্কিন তরুণীর সঙ্গে সেলফি তোলার চেষ্টা করেছিলেন এক যুবক। ওই ঘটনাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছে বাংলাদেশ বিরোধী সংবাদমাধ্যম।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে স্থানীয় এক সহকর্মীর সঙ্গে সকাল দশটা নাগাদ শহীদ সরণি দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন মার্কিন তরুণী। হাঁটতে-হাঁটতেই তাঁরা বুঝতে পারেন এক যুবক তাদের অনুসরণ করছে। এটা বুঝতে পেরে তারা হিলডাউন সার্কিট হাউসের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন। ঠিক তখনই ওই বখাটে যুবক মার্কিন তরুণী ও তাঁর সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। অশ্লীল ইঙ্গিত করার পাশাপাশি আচমকাই তারেকুল মার্কিন তরুণীকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে শুরু করে এবং স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয়। প্রকাশ্য দিবালোকে ওই ঘটনা দেখেও স্থানীয়রা কোনও প্রতিবাদ করেননি। অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে মার্কিন তরুণী ও তাঁর সঙ্গী ‘বাঁচাও-বাঁচাও’ বলে চি‍ৎকার করেন। তার পরই বখাটে যুবক দৌড়ে পালিয়ে যায়।’ স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন ওই বখাটে যুবকের নাম তারেকুল ইসলাম। এক সময়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডার ছিল। কক্সবাজারে ঘুরতে আসা মহিলা পর্যটকদের সঙ্গে প্রায়শই অভব্য আচরণ করে। পুলিশকে জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত শনিবারই (৮ মার্চ) মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো বাংলাদেশ ভ্রমণ নিয়ে সে দেশের নাগরিকদের জন্য লেভেল-৩ পরামর্শ সতর্কতা জারি করেছে। ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সন্ত্রাসীরা সামান্য বা কোনও সতর্কতা ছাড়াই পরিবহনকেন্দ্র, বাজার, শপিং মল, সামরিক স্থাপনা, বিমানবন্দর, বিশ্ববিদ্যালয়, পর্যটনকেন্দ্র, স্কুল, হাসপাতাল, উপাসনালয় ও সরকারি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা করতে পারে। ফলে বাংলাদেশে চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। আপাতত না যাওয়া হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।’

সেনা বিদ্রোহের জেরে গত ৫ অগস্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশত্যাগ করেছিলেন শেখ হাসিনা। তাঁর দেশত্যাগের পরেই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের পোষ্যভৃত্য মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে শুরু হয় অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনকাল। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদল ঘটলেও শান্ত হয়নি বাংলাদেশ। বরং অশান্তির আগুনে জ্বলছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। সেই সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনগুলি নখদাঁত বের করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। গত শুক্রবারই জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর মিছিলকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল রাজধানী ঢাকা। পরিস্থিতি সামলাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানোর পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেডও ব্যবহার করতে হয়েছে পুলিশকে। প্রকাশ্য দিবালোকেই চলছে ছিনতাই, ডাকাতি, খুনের মতো ঘটনা। গত সপ্তাহে মুদ্রা ভাঙাতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছিলেন বাংলাদেশে বেড়াতে আসা দুই ইরানি নাগরিকও।

 

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00