জল যন্ত্রণা থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে কোদাল হাতে ড্রেন পরিষ্কারে নামলেন কাউন্সিলর

জানা গিয়েছে, টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে কৃষ্ণনগর পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের অরবিন্দ পল্লি-সহ একাধিক এলাকা এখন জলমগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: রাস্তাঘাটে জলমগ্ন, বৃষ্টির জল উপচে পড়ছে ড্রেন থেকে, টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বেহাল অবস্থা জেলাস্তরের রাস্তাঘাটগুলি। তাতেই বাড়ছে ডেঙ্গু, মেলেরিয়ার প্রভাব। কেননা জমা জলে মশা মাছির উপদ্রব বেশি হয়। তাতেই ডেঙ্গু, মেলেরিয়ার প্রভাব দেখা দিচ্ছে। তাই নিজের শহরের মানুষকে এবার ডেঙ্গু, মেলেরিয়ার প্রভাব থেকে বাঁচাতে নিজের হাতেই হাল ধরলেন কৃষ্ণনগর পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সুমিত ঘোষ। এলাকাবাসীদের পচা, নোংরা, জমা জল থেকে মুক্তি দিতে নিজেই পাড়ার সমস্ত ড্রেন পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিলেন। বিষয়টি আশ্চর্যজনক ছাড়া আর কিছুই নয়! যদিও মানুষের কাছাকাছি পৌঁছতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা নানারকম কাজকর্ম করছেন অবিরত। এক্ষেত্রে নিজের এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্যে সুমিত ঘোষের অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেন তাঁর এলাকার মানুষজন। জানা গিয়েছে, টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে কৃষ্ণনগর পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের অরবিন্দ পল্লি-সহ একাধিক এলাকা এখন জলমগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

ড্রেন উপচে অতিরিক্ত জল ঢুকে পড়ছে সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীদের এমন সমস্যার কথা জানতে পেরে স্থানীয় কাউন্সিলর সুমিত ঘোষ প্রথমে সরাসরি পৌরসভায় যোগাযোগ করেন। কিন্তু এতে পৌরসভা থেকে মাত্র তিনজন সাফাই কর্মী নিয়োগ করা হয়। কিন্তু মাত্র তিনজনের পক্ষে বিস্তীর্ণ জলমগ্ন এলাকা পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে নিজেই হাতে ড্রেন পরিস্কারের উপকরণ নিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করতে নেমে পড়েন কাউন্সিলর। কর্মীদের সঙ্গে ড্রেন পরিষ্কারের করেন তিনি। আর ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে দেওয়ায় পরেই ধীরে ধীরে জমা জল অঞ্জনা নদীতে নামতে শুরু করে। সুতরাং এতে মুহূর্তেই এলাকার মানুষ পচা জমা জল থেকে মুক্ত পেলেন।

এই বিষয়ে কাউন্সিলর সুমিত ঘোষ জানিয়েছেন, “গত কয়েকদিন ধরে যা বৃষ্টি হয়েছে, তাতে আমাদের ১৬ নম্বরের এই এলাকা পুরোটাই জলমগ্ন ছিল। তবে জল নামানোর জন্যে আমাদের দুটি পাম্প রয়েছে। কিন্তু এই দুটি পাম্প চালিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আজ সকালে দেখতে পাই যে ড্রেনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা থাকায় জল যেতে পারছে না অঞ্জনা খাল পর্যন্ত। সেই কারণে আজ ছুটির দিনে আমি আমার এলাকার কর্মীদের নিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করতে নামি। পুরসভা থেকে তিনজন কর্মীকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা পর্যাপ্ত নন এই কাজের জন্যে। এর আগেও আমরা বহুবার হাইড্রেন পরিষ্কারের জন্যে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কোনও উত্তর আসেনি। ফলে একটু বৃষ্টি হলেই এই ড্রেনগুলি ভর্তি হয়ে যায়। এলাকাবাসীদের ঘরে ঢুকে পড়ে। তাই বাধ্য হয়েই এলাকাবাসীদের যন্ত্রণা কমাতে আমি নিজেই নেমেছি। আশা করছি আজ বিকেলের মধ্যে এলাকার জল অনেকটাই নেমে যাবে।”

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]