নিজস্ব প্রতিনিধি : দার্জিলিংয়ে ঘুরতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। খাদে উল্টে গেল পর্যটকবোঝাই গাড়ি। মেইন রাস্তা থেকে প্রায় ৫০০ ফুট নীচে পড়ে যায় পর্যটকবোঝাই গাড়িটি। চালক সহ ওই গাড়িটিতে মোট যাত্রী ছিল ১১ জন। দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ২ জন। তড়িঘড়ি ছুটে আসে স্থানীয়রা।আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হল পুলিশে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ বাহিনী। কীভাবে এই দুর্ঘটনাটি ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে সুখিয়া থেকে শিলিগুড়ি আসার পথে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গয়াবাড়িতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ি খাদে পড়ে যায় যাত্রীবোঝাই টাটাসুমো। আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। পুলিশ এসেছে, মৃতদের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আহতরা সকলেই সুকনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে শুক্রবার তারকেশ্বরে আরও এক ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার কথা সামনে আসে! যাত্রীবাহী বাস উল্টে বিপত্তি,গুরুতর আহত ২০ জন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে হাজির হয়েছে পুলিশ বাহিনী। তদন্ত শুরু করেছে তারা। গাড়ি কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, গাড়ির চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই নিয়ন্ত্রণ হারায় বাসটি। এর জেরেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।প্রতক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে হুগলি জেলার পুরশুড়ার হরিহর এলাকায়। যাত্রিবাহী বাসটি পানসিউলি থেকে তারকেশ্বর যাচ্ছিল। সে সময়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে জমিতে পড়ে বাসটি। আহত যাত্রীদের চিৎকারে ছুটে আসে তারা। আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় পুরশুড়া ব্লক হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় আহতদের। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।