নিজস্ব প্রতিনিধি :- কালীঘাট মন্দিরে স্কাইওয়াকের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই কাজ চলছে। সেই সঙ্গে মন্দির চত্বরকেও সাজাতে চান মুখ্যমন্ত্রী। তবে মন্দিরের এক নম্বর গেটে সদর ঘাটের যাওয়ার রাস্তা কিছুদিন ধরেই খারাপ অবস্থা। আর সেই রাস্তা সারাইয়ের দাবি জানিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়রের কাছে আবেদন জানান ৮৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর প্রবীরকুমার মুখোপাধ্যায়। আবেদন পেয়েই রাস্তা সারাই নিয়ে ভাবচ্ছে পুরসভা। শুধু কালীঘাট মন্দির রাস্তা নয়, সদর ঘাটকেও সাজাতে চায় পুরসভা।
কাউন্সিলর জানান, মন্দিরের এক নম্বর গেট থেকে সদর ঘাটে যাওয়ার রাস্তা ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘ দিন। এই রাস্তা দিয়েই মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঋষি, মুণিরা ঘাটে যেতেন। কলকাতার সূচনা পর্বেও মন্দিরে যাতায়াতের জন্য এই রাস্তা ব্যবহার করা হতো। এখানেই রয়েছে মাদার টেরিজ়ার নির্মল হৃদয় হাসপাতাল। ফলে এই রাস্তা অনেক বিদেশিরও গন্তব্য। তিনি দাবি করেন, এই রাস্তাটি সারানোর ব্যবস্থা করুক পুরসভা।
মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, সদর ঘাট ও মন্দির থেকে ঘাটে যাওয়ার রাস্তা সারিয়ে এবং সাজিয়ে দেবে কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুরসভা বছর তিনেক ধরে কালীঘাট মন্দিরের সৌন্দর্যায়নের কাজ করছে। স্কাইওয়াক–সহ পুরো মন্দিরের সৌন্দর্যায়নের কাজ প্রায় শেষের পথে। সেই সঙ্গে মেয়র বলেন, কালীঘাট মন্দিরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ ভাবে নজর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাাট মন্দির সংলগ্ন এলাকায় সংস্কারের কাজ চলছে। রাজ্য সরকারও টাকা দিয়েছে। শুধু সদর ঘাটে যাওয়ার রাস্তাই নয়, সদর ঘাটকেও সারিয়ে দেবে পুরসভা।
পাশাপাশি কাউন্সিলর প্রবীর জানান, কিছু বেআইনি দখলদারির জন্য এই সৌন্দর্যায়ন উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের অসুবিধা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মেয়র বলেন, মন্দিরের পুরো কাজ শেষ হয়ে গেলে আর এই সমস্যা থাকবে না। ওখান থেকে বোইনি দখলদারি সরানোর জন্য কালীঘাট থানাকেও জানানো হবে। পুরসভা সূ্ত্রে খবর, যারা কালীঘাটের দুই ও তিন নম্বর গেটের পাশে এখনও হকারি করছেন, তারা পুরসভা নিয়ন্ত্রিত টাউন ভেন্ডিং কমিটির নথিভুক্ত সদস্য নন। তাই তাদের সেখান থেকে সরানো হবে।