নিজস্ব প্রতিনিধি : যা দাপট দেখাচ্ছে শীত তাতে বাঘেও ভয় পাবে। ঐ যে কথায় আছে, মাঘের শীত বাঘে ভয় পায়.. মাঘ মাস না আসতেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত। এই শীতে তাবড় তাবড় লোকেরা জুবুথুবু। কিন্তু এইসময় তাঁদের ভয়ংকর সমস্যা হয় যাঁদের শীত বেশি লাগে। অন্যদের থেকে অনেকেই বেশি ঠান্ডা অনুভব করেন। এই নিয়ে হাসি-ঠাট্টার শিকার হন অনেকে। সোজা কথায় যাদের ‘শীত কাতুরে’ বলা হয়। যদিও এটা শারীরিক সমস্যা হতে পারে। তবে এই নিয়ে সতর্ক হন। তাই এই ধরনের লক্ষণ বেশিদিন অবহেলা করা চলবে না। জানেন কী এর পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখা কী ? তবে জানুন কি বলছে বিজ্ঞান !
বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসলে অনেকের স্বাভাবিকের থেকে বেশি ঠান্ডা লাগে। এদের নিয়ে হাসাহাসি না করে সতর্ক হতে বলুন। কারণ ভিতরে কোনও অসুখ থাকতে পারে।
হাইপোথাইরয়েড : থাইরয়েড গ্লান্ড থেকে কম পরিমাণে হরমোন বেরলে তাকে বলা হয় হাইপোথাইরয়েড। এই অসুখে অনেকেই আক্রান্ত। মহিলাদের এই রোগ বেশি হয়।এই রোগের লক্ষণ হল চুল পড়া, মোটা হয়ে যাওয়া, গলা ফুলে যাওয়া, হার্ট রেট কমা, গায়ে-হাত-পায়ে ব্যথা ইত্যাদি। এবার এই রোগীদের কিন্তু ঠান্ডা লাগে বেশি। তাঁদের গরমেও শীতের অনুভব হয়।
লো ব্লাড প্রেসার : লো প্রেশার থাকা মানুষগুলোর প্রচন্ড ঠান্ডা অনুভব হয়। এছাড়া মাথা ঘোরা, মাথা হালকা লাগার মতো লক্ষণ দেখা যায় এই অসুখে। তাই এবার ঠান্ডা লাগলে অবশ্যই লো প্রেশারের চিকিৎসা করে ফেলুন।
রোগা ও মেদহীন : শরীরে মেদ থাকলে সহজে গরম ধরে রাখা যায়। আর অপরদিকে মেদহীন ব্যক্তিদের দেহ থেকে উষ্ণতা বেরিয়ে যায়। তাই আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। সঠিকভাবে খাওয়াদাওয়া ফল, শাক, সবজি খান।
আরও পড়ুন : সাক্ষাৎ মা লক্ষ্মীর রূপ, আপনার পায়ে এই চিহ্নগুলো আছে কিনা নিজেই দেখে নিন
দেহে আয়রনের ঘাটতি : দেহে আয়রনের ঘাটতি থাকলে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় ফলে শীতের অনুভূতি হয়। এছাড়াও কম ওজন থাকা ব্যক্তিরাও স্বাভাবিক মানুষের তুলনায় বেশি শীত অনুভব করে।
আরও পড়ুন : কালো প্লাস্টিকের বাসনে খাবার খাচ্ছেন ? আজ থেকেই সাবধান হন…