নিজস্ব প্রতিনিধি: অভিনেত্রী হিসেবে দুর্গাপুজো প্রতিবারই ভালো কাটিয়েছেন তিনি। শুটিংয়ের ব্যস্ততার পর ছেলেকে নিয়েই সময় কেটে যেত তাঁর। কিন্তু এবারের পুজোটা একটু অন্যরকম বাংলার দিদি নং ১- অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দোপাধ্যায়ের। কারণ এ বছরেগ নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন অভিনেত্রী, হয়েছেন বাংলার জননেত্রীও। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে হুগলীর নবনিযুক্ত সাংসদ হয়েছেন অভিনেত্রী। রাজনৈতিক ময়দানে পা দিয়েই ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।
এখন হুগলির বাসিন্দাদের দায়িত্বও তাঁর উপর। সাংসদ হওয়ার আগেই হুগলির মানুষদের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী। প্রচারে গিয়ে হুগলির মিষ্টি দই, জলভরা সন্দেশ, ঘুগনি, জল খাবার-সহ মানুষের ভালোবাসা সকলেরই প্রেমে পড়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী। এদিকে সাংসদ হওয়ার পরেই সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই হুগলিতে কাটে নায়িকার। তাই এবার পুজোতে তিনি কি করবেন, কোথায় থাকবেন হুগলিতে নাকি কলকাতাতে? জানতে চায় ভক্তরা। একটি সংবাদমাধ্যমকে পুজোর পরিকল্পনা শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।
জানিয়েছেন, ‘এবার পুজোয় নতুন বলতে, তিনি জনপ্রতিনিধি। তবে সাংসদ হয়ে জীবনের তেমন চেঞ্জ কিছুই আসেনি তাঁর। বরং কর্মব্যস্ততা আগের তুলনায় আরও বেড়ে গিয়েছে। মানুষের কথা বেশি ভাবতে হচ্ছে, মানুষের জন্য কাজ করতে হচ্ছে, সেই অর্থে জীবনে পরিবর্তন হয়েছে। শুধু একটাই চিন্তা, মানুষের জন্য ভালো কাজ করতে হবে। তাই যখনই সময় পান হুগলি গিয়ে ভালো ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন। আর পুজোর সময় খুব একটা প্যান্ডেল হপিং করা হয় না। পুজোর চার পাঁচটা দিন বরং বিশ্রাম নিতেই ভালোবাসেন। গত তিনচার মাস কাজের চাপে কোথাও ঘুরতে পারেননি। তাই পুজোর আগে জন্মদিনের সময়ে ভিয়েতনাম যাচ্ছেন তিনি। তবে পুজোর আগেই কলকাতা ফিরে এসে হুগলিতে যাবেন। সেখানকার মানুষই এখন তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ষষ্ঠীর দিন তাঁদের সঙ্গে কাটাবেন। আর বাকি দিনগুলি বাড়িতেই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেবেন। নিজের আবাসনের পুজোতে আনন্দ করবেন। আর বিজয়া দশমীতে বিজয়া করতে ফের হুগলিতে যাবেন। তাই এবার পুজোটা তাঁর কাছে একটু অন্যরকম। এবার পুজোয় মা দুর্গার কাছে তাঁর একটাই প্রার্থনা, সবাই যেন সুস্থ থাকেন। চারিদিকে যে খারাপ আবহাওয়া চলছে, তা যেন তাড়াতাড়ি দূর হয়। চারিদিকে পজিটিভ আবহাওয়া বয়ে চলুক।