নিজস্ব প্রতিনিধি : চোপড়ায় সালিশি সভায় মারধরের ঘটনায় এবার চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বিধায়ক হামিদুল ইসলামকে। এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মেজাজ হারালেন তিনি। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তাজিমুল ওরফে জেসিবির সঙ্গে যে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই, সেই কথাও আরও একবার বোঝানোর চেষ্টা করেন তৃণমূল বিধায়ক।
এদিন বিধানসভায় বৈঠকে যোগ দিতে আসেন তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল ইসলাম। তখনই সাংবাদিকদের এক ঝাঁক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল। জবাবে তৃণমূল বিধায়ক জানান, মহিলাটি অন্যায় করেছে। সাংবাদিকরা পাল্টা প্রশ্ন করেন, কী অন্যায় করেছে। জবাবে তৃণমূল বিধায়ক জানান, সেটা গ্রামবাসীরা জবাব দেবেন। ফের তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তাহলে কী তিনি নীতি পুলিশি করছেন। জবাবে তিনি জানান, ‘আমি নীতিপুলিশ নই। আমি ওদের কারো হাতে তুলে দিইনি। যারা অন্যায় করেছে ভিডিও দেখে পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।‘
এরপরই এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জেসিবি সম্পর্কেও প্রশ্ন তোলেন সাংবাদিকরা। এই প্রসঙ্গে চোপড়ার বিধায়ক জানান, ‘পুলিশ পাঠিয়ে ওকে গ্রেফতার করা হয়েছে।‘ এরপরই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘গত ২৮ তারিখ এই ঘটনা হয়ে গিয়েছে। এরপর ২৯,৩০, ১,২ তারিখে সব টিভিতে এই ঘটনা দেখিয়েছে। এরপরও এই সব করার মানে কী।‘ এর আগে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জেসিবির পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছিল চোপড়ার বিধায়ক। তবে এদিন সম্পূর্ণ নিজের অবস্থান বদল করে তৃণমূল বিধায়ক জানান, জেসিবির সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। একইসঙ্গে তিনি জানান, মহিলার অসম্মান হয়েছে। এরজন্য আমি দুঃখপ্রকাশ করছি। জেসিবির শাস্তি হওয়া উচিত।
ইতিমধ্যে চোপড়াকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল ইসলামকে শোকজ করেছে তৃণমূল। সাত দিনের মধ্যে জেলার তৃণমূল সভাপতি কানাইলাল আগরওয়ালকে শোকজের জবাব দিতে হবে হামিদুলকে। জবাব পাওয়ার পরই চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেবে রাজ্য নেতৃত্ব।