নিজস্ব প্রতিনিধি ,সাঁতরাগাছি: হাওড়ার সাঁতরাগাছি কারশেডে একটি দূরপাল্লার ট্রেনের কামরার শৌচাগার থেকে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হল। ট্রেনের কামরা পরিষ্কার করার সময় রেল কর্মীদের নজরে আসে ওই ঝুলন্ত দেহ। রেল কর্মীরা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে ওই ঝুলন্ত মৃত উদ্ধার করে। তার নাম পরিচয় জানা যায়নি। ওই ব্যক্তির কাছে ট্রেনের টিকিট ও পাওয়া যায়নি। দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। গামছা দিয়ে ফাঁস দিয়ে তার দেহ ঝুলছিল একটি মেল ট্রেনের কামরার শৌচাগারের মধ্যে। ওই ট্রেনের যে টিকিট পরীক্ষক ছিল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ট্রেনটি কোথা থেকে এসেছিল এবং কখন হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station)প্রবেশ করেছিল ওই মেইল ট্রেন(Mail Train) সেই সব তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। ট্রেনের শৌচাগারে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় কিছুটা আতঙ্কিত রেল কর্মীরা।
ফের ট্রেনের মধ্যে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। মুম্বাই মেইল এর জেনারেল কামরার বাথরুমে উদ্ধার দেহ। মুম্বাই থেকে হাওড়া আসার পর সেই ট্রেন যখন সাঁতরাগাছি কারশেডে পৌঁছতেই ট্রেন পরিষ্কারের সময় দেহ দেখা যায়। কয়েকদিন আগেই ট্রেনের প্রতিবন্ধী কামরায় উদ্ধার হয়েছিল বালির তবলা বাদকের দেহ। তখনই রেলের নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। ফের দেহ উদ্ধারে প্রশ্নের মুখে রেল।
এদিকে, বীরভূম জেলার ম্যানেজার পারা গ্রামে মা ও দুই ছেলে মেয়ের খুনের ঘটনায় তদন্তে এলো ফরেনসিক দল। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে তিন সদস্যের একটি টিম আসে সেখানে। এবার সেখান থেকে বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে তারা। প্রসঙ্গত, বাড়ি মধ্যে থেকে দুই শিশু সহ মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য বীরভূমের ম্যানেজারপারা গ্রামে। নিহতদের নাম লক্ষী মাডডি, রূপালী মাডডি ও অভিজিৎ মাডডি। শুক্রবার সকালে প্রতিবেশীরা তিনজনকেই তাদের বাড়ির মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান আর সেই ঘটনা দেখতে পেয়েই গ্রামবাসীরা প্রথমে পুলিশে খবর দিলে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে আজ ম্যানেজারপারা গ্রামে মঙ্গলবার সকালে তিন সদস্যের একটি টিম আসে সেখানে। এবার সেখান থেকে বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে তারা এমন টাই খবর।