Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সাদ্দামেরও আছে দ্বিতীয় বাড়ি, সেখান থেকেই উদ্ধার একাধিক ভুয়ো সোনার মূর্তি

সাদ্দামের আরও একটি বাড়ির হদিশ পেল পুলিশ। শুধু তাই নয়, সেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক ভুয়ো সোনার মূর্তিও। 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগনা(South 24 Pargana) জেলার ক্যানিং মহকুমার কুলতলি(Kultali) ব্লকের জালাবেড়িয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পয়তারহাটে গত ১৫ জুলাই রাতে অভিযানে গিয়েছিল স্থানীয় থানার পুলিশ। সেদিন তাঁদের অভিযানের লক্ষ্য ছিল ওই গ্রামের দাগী সমাজবিরোধী সাদ্দাম সর্দারের(Saddam Sardar) বাড়ি। কেননা এই সাদ্দামের বিরুদ্ধে ভুয়ো সোনার মূর্তি দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগ ছিল। পুলিশ অভিযানে যেতেই সাদ্দামের বাড়ির পাশাপাশি পড়শি মহিলারা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পুলিশ অফিসারদের মারধরও করা হয়। সাদ্দামের ভাই সাইরুল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। পুলিশের দাবি ছিল, গুলি কারও গায়ে না লাগলেও স্থানীয়দের মারধরে তিন জন পুলিশ অফিসার জখম হয়েছিলেন। সেই সুযোগেই পালিয়ে যান সাদ্দাম ও সাইরুল। যদিও ১৭ তারিখ কুলতলির সিপিএম নেতা মান্নান খানের মাছের ভেড়ি থেকে সাদ্দামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এবার সেই সাদ্দামের আরও একটি বাড়ির হদিশ পেল পুলিশ। শুধু তাই নয়, সেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক ভুয়ো সোনার মূর্তিও(Fake Gold Idol)। উদ্ধার হয়েছে অস্ত্রও(Arms)। 

সাদ্দামকে গ্রেফতার করার পরে পুলিশ লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরেই সামনে আসে পয়তারহাটের পাশাপাশি সাদ্দামের আরও একটি বাড়ি আছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলারই কেওড়াখালিতে। সেখানেই বুধবার রাতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে অস্ত্রের পাশাপাশি কয়েকটি ধাতব মূর্তিও উদ্ধার করা হয়েছে। এই মূর্তিগুলি কোন ধাতবের তৈরি, আসল নাকি নকল তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, নকল সোনা কারবারির খোঁজ করতে গিয়ে নাম উঠে আসে সাদ্দাম সর্দারের। এরপর তাঁর প্রথম বাড়িতে ঢুকে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড় হয় পুলিশ আধিকারিকদের। বাড়ির ঘাট সরাতেই দেখা মেলে সুড়ঙ্গের। সেই সুড়ঙ্গটি মিশেছে মাতলা নদীর খালে। প্রথমে পুলিশের চোখ এড়িয়ে পালালেও শেষ রক্ষা হয়নি। গ্রেফতার হতে হয়েছে সাদ্দামকে। গত ১ জুলাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগর থানায় ১২ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে নেমে সাদ্দামের নাম উঠে আসে। প্রতারণাচক্রে ছিলেন মোট ১২ থেকে ১৪ জন।

কিন্তু সেই অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ তখন এটাও জানতো না যে সাদ্দাম এত বড় অপরাধের চক্র ফেঁদে বসে আছে। এখন তদন্তে নেমে যতই তাঁরা সাদ্দামের পাচার চক্রের জাল গোটাচ্ছেন ততই তাঁদের চোখ ছানাবড়া হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদ্দাম শুধু নকল সোনার মূর্তির কারবারই করতো না, সোনা পাচার থেকে কাফ সিরাপ পাচারের কাজও করতো। এমনকি জাল নোটের কারবারও ছিল তার। সেই সব পাচারের কাজে পয়তারহাট গ্রামের মহিলা ও যুবকদের বেশি করে কাজে লাগানো হতো। আশেপাশের গ্রামের লোকদেরও এই পাচারের কাজে ব্যবহার করা হতো। সাদ্দামের বাড়ি থেকে যে সুড়ঙ্গের খোঁজ মিলেছে, সেই সুড়ঙ্গ পথেই ওই সব জিনিস প্রথমে খাল হয়ে ও তারপরে মাতলা নদী হয়ে সুন্দরবনের মধ্যে দিয়ে পাচার হতো বাংলাদেশে। মূলত কাফ সিরাপ পাচার হতো। পরিবর্তে বাংলাদেশ থেকে আনা হতো জাল নোট আর নকল সোনার মূর্তি। এই পাচার কাজে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে সাদ্দাম। পুলিশ এখন সেই টাকার সন্ধান শুরু করেছে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00