Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মাগ্গিগণ্ডার বাজারে খেল দেখাচ্ছে চাল-ও

খুচরো চাল বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, গত কয়েক সপ্তাহে সব ধরনের চালের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি শীতে শুধু করোনাভাইরাসই নয়, আম বাঙালিকে কাঁদিয়ে ছাড়ছে বাজারদর-ও। সবজি থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসে হাত দিতে গেলেই ছ্যাঁকা লাগছে। রান্নার গ্যাস থেকে ভোজ্য তেল, নিত্যদিনের আনাজ, এমন কী বাঙালির প্রিয় রুই, কাতলা অনেক দিন ধরেই ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে। তার সঙ্গে এখন দোসর হয়েছে চাল।

বাজারে গিয়ে চালের দামে এখন চোখ কপালে উঠছে মধ্যবিত্তের। শুধু তাই নয়, একটু অল্প দামের পছন্দের চালও বাজারে মিলছে না। কেমন হয়েছে চালের বাজার ? খুচরো চাল বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, গত কয়েক সপ্তাহে সব ধরনের চালের দাম ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। অবস্থা এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, বাজারে এখন মুখে দেওয়ার মতো মিনিকেট চালের কেজি ৫০ টাকা ছুঁয়েছে। অতি সাধারণ বাসকাটি চালেরও আমদানি নেই বাজারে। যাও বা কিছু মিলছে তার দাম ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি।

বিক্রেতারাই জানাচ্ছেন, বাজারে এখন চালের দামের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যেমন খুশি দাম হাঁকছে। আর তার জেরে বিপদে পড়েছে আমজনতা। দমদমের বাজারে দাঁড়িয়ে অভীক বসু জানালেন, তিনি আগে ৫৩ টাকা কেজি দরে মধ্যমানের একটি বাসকাটি চাল কিনতেন। সেই চাল এখন পাওয়া যাচ্ছে না। তার বদলে ৫৯ টাকা কেজিতে যে চাল তিনি কিনেছেন, তার ভাত মোটেই ভাল নয়। তাঁর প্রশ্ন, প্রায় ৬০ টাকা কেজি দরে চাল কিনেও যদি ভাত খেয়ে তৃপ্তি না আসে তা হলে মধ্যবিত্ত মানুষ যাবে কোথায় বলতে পারেন ?

ধান উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম সারিতে রয়েছে। রাজ্যের চাহিদা মিটিয়েও বিপুল পরিমাণ চাল প্রতি বছর রফতানি হয় দেশের অন্যান্য রাজ্যে, এমনকী প্রতিবেশী দেশগুলিতেও। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, চালের এতো আকাল কেনও? চাল ব্যবসার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত অনেকের মতে, কালোবাজারি হচ্ছে। এক শ্রেণির পাইকারি চাল ব্যবসায়ী চাল মজুত করে রেখে দিচ্ছে। কেউ আবার বলছেন, ঘুর পথে বিপুল চাল চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে। ফলে চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে। আর চাল কিনতে গিয়ে হাত পুড়ছে সাধারণ মানুষের।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে সারা দেশের মোট যা চালের চাহিদা তার ১৫ শতাংশের বেশি উৎপাদন হয়। স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ প্রশ্ন করতে শুরু করেছে, এতো চাল যাচ্ছে কোথায় ? কলকাতার বিভিন্ন বাজার ঘুরে যা জানা গেল একটু কম দামের চাল কিনতে গেলে এখন ভাত ভাল হবে এমন কোনও নিশ্চয়তা দোকানদাররা দিতে পারছে না। ফলে  মধ্যবিত্ত বাঙালিকে গ্যাঁটের কড়ি বেশি খরচা করেই পছন্দের চাল কিনতে হচ্ছে। তাও যে সেই চাল সব সময় ভাল হচ্ছে, এমন নয়।

রাজ্যের ধানকল মালিকদের সংগঠনের একটি সূত্র বলছে, অসময়ে বৃষ্টির কারণে এ বছরে মিনিকেট থেকে বাসকাটি, সব ধরনের ধানের ফলন কম হয়েছে। ফলে চালের টানাটানি চলছে। বাজারের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে জোগান দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে চালের দাম চড়া।

সত্যিই কপালপোড়া বাঙালি! এক মুঠো ভাত আর আলুসিদ্ধ দিয়ে যে ক্ষুধা নিবারণ করবে, তার উপায় নেই।

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00