নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সবে মাত্র দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে তৃতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছে । ধীরে ধীরে বাড়ছে পড়াশোনার চাপ। আর তখনই ছোট্ট প্রীতিশার শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে মরণ রোগ । প্রায় দেড় বছর ধরে লড়াই করে সে আবারও প্রমাণ করে দিল ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয় । এরপরেই বইপত্র কাঁধে ফের মহিষাদলের গয়েশ্বরী গার্লস হাই স্কুলে যেতে চলেছে প্রীতিশা ।
হিপ জয়েন্টের কাছে একটি টিউমার ধরা পড়েছিল প্রীতিশার । চিকিৎসকরা তখন জানিয়ে দেয় সে বোন ক্যান্সারে আক্রান্ত । এরকম বেরঙিন হয়ে গেল ছোট প্রীতিশার জীবন । শুরু হয় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই । চিকিৎসকদের কথা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলতে থাকে প্রীতিশা । অন্যদিকে তাঁর বাবা পেশায় একজন রাজ মিস্ত্রি। তাই মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়তে হয় তাঁকে । তবে শেষে ছোট প্রতীশার অসুস্থতার খবর জানতে পেরে পাশে দাঁড়ায় তাঁর স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারাই।
প্রায় ১৭ টা কেমো নেওয়ার পর এখন অনেকতাই সুস্থ প্রতীশা । আগামী সোমবার থেকে আবার সে স্কুল যাওয়া শুরু করবে । এই প্রসঙ্গে মহিষাদলের গয়েশ্বরী গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানিয়েছেন,’ প্রীতিশা আমাদের স্কুলের প্রথম বিভাগের ছাত্রী । ওঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে আমরা পাশে দাঁড়াই । এখন সে অনেকটাই সুস্থ হয়ে গিয়েছে । তাই আবার পড়াশোনা শুরু করবে প্রীতিশা।‘