Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মমতা-মানসে আস্থা দুই মেদিনীপুরের, এবার চাই কেলেঘাইয়ের ওপর সেতু

দুই মেদিনীপুরের মানুষই এবার আশায় বুক বাঁধছেন যে মমতা-মানসের হাত ধরেই তাঁরা এবার কেলেঘাই নদীর ওপর একটি সেতু পাবেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) এই নিয়ে তৃতীয়বার মানস ভুঁইয়াকে(Manas Bhnuiya) রাজ্যের সেচ দফতরের(Irrigation Department) দায়িত্ব দিয়েছেন। আর তাই দুই মেদিনীপুরের মানুষই এবার আশায় বুক বাঁধছেন যে মমতা-মানসের হাত ধরেই তাঁরা এবার কেলেঘাই নদীর(Keleghai River) ওপর একটি সেতু(Bridge) পাবেন। কেলেঘাই, কপালেশ্বরী ও বাগুই খাল সংস্কারের অন্যতম যোদ্ধা মানসবাবু। কেলেঘাই নদীপাড়ের খেটে খাওয়া মানুষের স্বার্থে তাঁর লড়াই নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মিলেমিশে একাকার। কেলেঘাই নদীর ওপর দুই মেদিনীপুরের সংযোগকারী একটি সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। এই সেতু কোথায় করলে সুবিধা হবে, তা নিয়ে অবশ্য বিস্তর মতান্তর আছে। কিন্তু, দুই মেদিনীপুরের সহজ যোগাযোগের জন্য যে একটি সেতু ভীষন জরুরি, সে নিয়ে কোনও মতভেদ নেই। সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার হাত ধরেই এই সেতু হোক এমনটা চাইছেন দুই মেদিনীপুরের মানুষই। বিশেষ করে তাঁর নিজ বিধানসভা কেন্দ্র পশ্চিম মেদিনীপুরের(Paschim Midnapur) সবংয়ের মানুষজন এবং পড়শি পূর্ব মেদিনীপুরের(Purba Midnapur) পটাশপুর বিধানসভা এলাকার মানুষজন যার তৃণমূল বিধায়ক উত্তম বারিক আবার সেই জেলারই সভাধিপতি।

আরও পড়ুন, আর জি কর কাণ্ডের জেরে রবিবারেও কর্মবিরতি একাধিক সরকারি হাসপাতালে

পটাশপুর-ডেবরা রাজ্য সড়কে দেহাটিতে কেলেঘাই নদীর ওপর একটি সেতু রয়েছে। কিন্তু ১২১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদীতে দ্বিতীয় আর কোনও সেতু নেই। আর তাই কেলেঘাই নদীর ওপর সবং ও পটাশপুর, ভগবানপুরের সংযোগকারী একটি কংক্রিটের ব্রিজের দাবি দীর্ঘদিনের। তবে, ব্রিজ কোথায় হবে এনিয়ে টানাপোড়েন আছে। শিউলিপুর, রাউতরাবাড়ি, ধামসাই ও লাঙলকাটায় ব্রিজের দাবি রয়েছে। চার জায়গায় ব্রিজ করা সম্ভব নয়। অন্তত এক জায়গায় ব্রিজ হোক। এমনটাই চাইছেন কেলেঘাই নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দারা। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন কেলেঘাই নদীর ওপর ব্রিজঅনির্মাণ নিয়ে নবান্নে রিপোর্ট পাঠিয়েছিল। সেই সেতু নির্মাণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল পটাশপুর-১ ব্লকের সেলমাবাদ থেকে সবংয়ের খড়িকার মধ্যে। রাজ্য সরকার বিষয়টি নিয়ে সবুজ সঙ্কেত দেওয়ার পরই জেলাশাসক রিপোর্ট পাঠান। তারপর এক বছর সময় কেটে গিয়েছে। কিন্তু কেলেঘাই নদীর ওপর অসেতু নির্মাণ নিয়ে নতুন করে কোনও তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীকে অশ্লীল কবিতার মাধ্যমে আক্রমণ, পুলিশে অভিযোগ তৃণমূলের

এখন মানসবাবু ফের রাজ্যের সেচমন্ত্রী হতেই কেলেঘাই নদীর ওপর সেতু নির্মাণ নিয়ে আবারও নদীর দুই পাড়ের মানুষ আশায় বুক বাঁধছেন। এই সেতু হলে দুই মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অংশের যোগাযোগ আরও মসৃণ হবে। সাধারণ মানুষ, খাদ্য ও পণ্যসামগ্রী সহজে একদিক থেকে আর এক দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। যাত্রী পরিবহণ ও পণ্য পরিবহণে আমূল পরিবর্তন ঘটবে। কেলেঘাই নদীটি ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল থানার বামিনীগ্রাম থেকে উৎপত্তি হয়ে কেশিয়াড়ি, নারায়ণগড়, সবং, পটাশপুর এবং ভগবানপুর ব্লকের ওপরঅবয়ে গিয়ে ময়নার ঢেউভাঙায় কংসাবতীর নয়া স্রোতের সঙ্গে মিশেছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, কিন্তু একমাত্র দেহাটি ছাড়া এই নদীর বিস্তীর্ণ অংশে আর কোথাও কোনও সেতু নেই। অথচ এই নদী পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাকে ভাগ করেছে। একসময় দুই মেদিনীপুরের দুঃখের কারণ ছিল কেলেঘাই। ফি-বছর বর্ষায় ভাসত সবং, পটাশপুর। কেলেঘাই, কপালেশ্বরী ও বাগুই সংস্কারের পর সেই অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তার কারিগর কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং মানস ভুঁইয়া।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00