Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, বিরোধীদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে আলোচনাই মূল লক্ষ্য?

উল্লেখ্য চলতি বছরের জুলাই মাসে শেষ বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ২২ নভেম্বর অর্থাৎ সোমবার দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, আগামী ২২ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বরের মধ্যে দিল্লি সফর করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এই ঝটিকা রাজধানী শহরের মূল উদ্দেশ্য ঠিক কি ইতিমধ্যেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। তবে সূত্রের খবর, বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠকই হল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য। এই সফরে বিরোধী দলগুলির একাধিক নেতা নেত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো ।

অন্যদিকে সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাতে বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে কেন্দ্রের বিতর্কিত বিএসএফের সীমানা বৃদ্ধির মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

উল্লেখ্য চলতি বছরের জুলাই মাসে শেষ বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি সফরে গিয়েছিলেন। ২০২১-এ বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দলকে কার্যত দুরমুশ করার পর এটাই ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম দিল্লি সফর।

আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। আর সেই অধিবেশনের আগেই বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে রাজনৈতিক রণকৌশল নিয়ে আলোচনার কাজ সেরে ফেলতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। অন্যদিকে ২০২৪কে পাখির চোখ করেই আপাতত ঘুঁটি সাজাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এক্ষেত্রে মমতা কংগ্রেস বা অন্য বিরোধীদলগুলোকে পাশে নিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে চান কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। সম্প্রতি গোয়া সফরেই কংগ্রেস দলকে জোরালো আক্রমণ করেছিলেন মমতা। হাতদলের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ ছিল, কংগ্রেসের ব্যর্থতার কারণেই কেন্দ্রে বিজেপি দলের শক্তি বৃদ্ধি হচ্ছে। এখন সেই দলের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গেই রাজধানী দিল্লিতে গিয়ে তিনি বৈঠকে বসবেন কিনা সেটাই দেখার।

অন্যদিকে জানা যাচ্ছে গান্ধী পরিবারের অপর সন্তান বরুন গান্ধি এবং তাঁর মা মেনকা গান্ধি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। সেই সম্পর্কে পাকা কথা বলতেই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। সূত্রের খবর আগামী সপ্তাহেই দিল্লিতে মুখোমুখি বৈঠকে বসছেন বরুণ গান্ধি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তারপর মমতার হাত ধরেই ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নিতে পারেন বরুণ এবং মেনকা।

সম্প্রতি নিজের দলের কাছেই ক্রমশ গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছেন বরুণ গান্ধি। এমন কি নিজের দলের একাধিক সিদ্ধান্ত এবং নেতা নেত্রীর বিরুদ্ধেও বহুবার মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে বরুণকে। এই সমস্ত ঘটনাই জানান দিচ্ছিল পদ্ম শিবির থেকে শীঘ্রই সরে আসতে পারেন বরুণ। আর এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, বরুণ গান্ধি তৃণমূলে যোগ দিলে একদিকে যেমন বিজেপির বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের এই লড়াই আরও কিছুটা মজবুত হবে অন্যদিকে গান্ধি পরিবারকেও কড়া বার্তা দিতে সক্ষম হবে ঘাসফুল শিবির। আর তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বরুণ গান্ধির আগামি বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00