Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঝগড়াঝাঁটি করে বেরিয়ে গিয়েছে স্ত্রী, উৎসবের মুখে বউয়ের খোঁজে থানায় ধর্নায় স্বামী

দিন দুয়েক আগেই মহিদুর রহমানের সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি হওয়ায় অভিমানে বাড়ি ছাড়েন মহিদুরের স্ত্রী। তিনদিন ধরে হন্যে হয়ে স্ত্রীকে খুঁজেছেন মহিদুর।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ পবিত্র ঈদ, খুশিতে মেতে উঠেছে গোটা বিশ্ব। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব ঈদ। স্ত্রী ও পরিবারের সঙ্গে ধুমধাম করে ঈদ উদযাপন করার কথা ছিল মালদার বছর চুয়ান্ন’র মহিদুর রহমানের। কিন্তু উৎসবের আগেই তাল কাটল স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া। দিন দুয়েক আগেই মহিদুর রহমানের সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি হওয়ায় অভিমানে বাড়ি ছাড়েন মহিদুরের স্ত্রী। তিনদিন ধরে হন্যে হয়ে স্ত্রীকে খুঁজেছেন মহিদুর। অগত্যা বউয়ের খোঁজ না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন তিনি। পুরাতন মালদা থানার মহিষাথানি গ্রাম পঞ্চায়েতের বালুয়াটোলার বাসিন্দা মহিদুর রহমান। সম্প্রতি পুরাতন মালদা থানায় উপস্থিত হয়ে থানার বড় বাবুর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন মহিদুর। কাতর মিনতি করে বলেন, ‘আমার বউকে খুঁজে দিন স্যার। ঈদে ওঁকে দেওয়ার জন্যে শাড়ি কিনেছি। আমার ঈদ যেন কোনভাবেই মাটি না হয়।’

এরপর থেকেই বৌয়ের খোঁজে থানায় আসা যাওয়া লেগেই রয়েছে মহিদুর রহমানের। তাতে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছেন থানার পুলিশ কর্মকর্তারা। যদিও গৃহকর্তার এমন করুণ অবস্থা দেখে তাঁর উপর রাগও দেখাতে পারছেন না কর্মকর্তারা। জানা গিয়েছে, শুধু থানা নয়, স্ত্রীর ছবি হাতে লোকের বাড়ির দরজায় দরজায় ঘুরছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বৃদ্ধ জানিয়েছেন, ঝগড়াঝাঁটি তো সব সংসারেই হয়। তাই বলে রাগ করে বৌ বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে, এটা তিনি কল্পনা করতে পারেননি। তাঁর স্ত্রী সেরিনার বেশি চিৎকার চেঁচামেচি করলে মাথা ঠিক থাকত না। এর আগেও অনেকবার এমন অশান্তি হয়েছে। তখন তিনি বাপের বাড়ি চলে যেতেন। পরে ফিরেও আসতেন। কিন্তু তিন দিন হয়ে গেল, এখনও সেরিনার খোঁজ পাননি তিনি। সেরিনা কোথায় আছেন, কেমন আছেন, কিছুই জানা যাচ্ছে না। ঈদে স্ত্রীর জন্যে কেনাকাটা করেছিলেন। স্ত্রীকে খুঁজে না-পেলে তাঁর বেঁচে থাকে লাভ নেই। তবে এবার তিনি বাপের বাড়ি যান নি। সেই কারণে স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সকলে। ছেলে জানিয়েছেন, ২৬ মার্চ রাতে মা–বাবার মধ্যে উৎসবের কেনাকাটা আর রান্নাবান্না নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। পরের দিন ভোরে থেকে তাঁর মা নিখোঁজ। মায়ের খোঁজ করতে তাঁর বাবা থানায় গিয়ে বসে আছেন। ঝগড়াঝাঁটি হলেও বাবা-মায়ের মধ্যে গভীর ভালোবাসা ছিল।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর কুড়ি আগে নিখোঁজ সেরিনা বিবির (৪৫) সঙ্গে মহিদুর রহমানের বিয়ে হয়। দুই ছেলে নিয়ে তাঁদের সংসার। মহিদুর পেশায় একজন শ্রমিক, ভিন রাজ্য কাজ করতে যেতেন। ফলে টাকা পয়সার কোনও অভাব নেই তাঁদের পরিবারের। ছেলেরাও সাবালক এবং বাবার সঙ্গেই কাজ করেন। এই ঘটনায় উৎসবের মরশুমে যেন মহিদুরের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে তাঁর স্ত্রী বেরিয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় সেরিনার তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00