নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। বুধবার ভোরে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই পিতৃপুরুষকে জলদান করতে ভিড় জমেছে প্রতিটি ঘাটে। তাই নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে এদিন সকালে হাওড়ার গঙ্গার ঘাটগুলি পরিদর্শনে যান ডিজি রাজীব কুমার। সঙ্গে ছিলেন হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী। এরপরেই হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে শয়ে শয়ে পুণ্যার্থীর সঙ্গে তর্পণ সারলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।
রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের জন্য এক জন পুরোহিতকে ডেকে আনেন হাওড়া সিটি পুলিশের আধিকারিকেরা। প্রায় ২০ মিনিট ধরে তর্পণ করে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে জল দেন রাজীব কুমার। বলা বাহুল্য, মহালয়ার দিন পিতৃ পুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার রীতি দীর্ঘদিন ধরে প্রচালিত আছে।
সেই রীতি মেনেই এদিন সব জায়গার গঙ্গার ঘাট গুলোতে দেখা যায় সাধারণ মানুষের উপচে পরা ভিড়। তবে এদিন শহর কলকাতা ও লাগোয়া জেলাগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন গঙ্গাসাগরে। স্নান সেরে কপিলমুনি মন্দিরে লাইন দিয়ে পুজো দিতে দেখা গেল পুণ্যার্থীর দলকে। তবে অন্যদিকে এদিন দেখা গেল অন্য ছবি। বাঁকুড়ার গন্ধেশ্বরী নদীতে আরজি করের নির্যাতিতার জন্য গণতর্পণের আয়োজন করা হয়। একথায় বলা যায়, তর্পণের মাঝেও উঠল প্রতিবাদের সুর।