ধর্মতলায় তৃণমূলের সভামঞ্চে আলো ছড়ালেন টলি তারকারা, কারা হাজির ছিলেন?

হাজির ছিলেন রাজ্যের সকলস্তরের শীর্ষমানের ব্যক্তিত্বরা। তবে এদিনের একুশের মঞ্চ থেকে আলো করেছেন টলিউড তারকারা। নজর কেড়েছেন তাঁরাই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শেষ হল বহু প্রতীক্ষিত একুশের শহিদ সমাবেশ। ধর্মতলায় এই মূহুর্তে লোকারণ্য। বাঙালি অস্মিতায় শান দিতে একুশের মঞ্চ থেকে লড়াই করার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি লড়াই করার হুঙ্কার দিয়েছেন যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার ডাক দিয়েছেন তিনি। মেয়র ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোমবার ২১-র মঞ্চে সকলের মুখেই ছিল শুধুই লড়াইয়ে ডাক, আগামী ২৬-র নির্বাচনে বিজেপিকে শুণ্য করার ডাক, বাঙালিকে হেনস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক। আগামী ২৭ জুলাই থেকে ভাষা আন্দোলনের হুঙ্কারও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসলে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই তৃণমূলের শেষ একুশের সভা। তাই এবারের একুশে জুলাই রাজ্য রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিন কলকাতার ধর্মতলায় সকাল থেকেই ছিল জনজোযার। জেলা থেকে আসা হাজার হাজার বাশে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকে ছেয়ে গিয়েছিল মহানগরীর রাস্তাঘাট। এদিন তৃণমূলের শহিদ স্মরণে জনসমাবেশে হাজির হয়েছেন রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ। হাজির ছিলেন রাজ্যের সকলস্তরের শীর্ষমানের ব্যক্তিত্বরা। তবে এদিনের একুশের মঞ্চ থেকে আলো করেছেন টলিউড তারকারা। নজর কেড়েছেন তাঁরাই।

যদিও প্রতিবারই টলিপাড়ার একঝাঁক তারকাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এবারেও তাঁর ব্যতিক্রম হল না। টেলিভিশন থেকে বড়পর্দা, বাদ গেলেন না কোনও মাধ্যমের তারকারাই। এবারেও সকাল সকাল যারা যারা সভায় যোগ দেবেন সকল তারকারা সমবেত হন নন্দনে। সেখান থেকে বাসে করে একুশের মঞ্চে পৌঁছন তাঁরা। এবারের একুশের মঞ্চে দেখা মিলেছে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, রূপাঞ্জনা মিত্রের। যাঁরা ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু ঘর পাল্টে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূলে ফিরলেন তাঁরা। মমতার সঙ্গে যোগ দিলেন। তবে কী ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ হচ্ছেন শ্রাবন্তী, রুপাঞ্জনা? যা ক্রমশ প্রকাশ্য। এছাড়া দিদির সৈনিক তারকা গায়ক নচিকেতা চক্রবর্তী, বিধায়ক অভিনেত্রী লাভলী মৈত্র, বিধায়ক অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ অভিনেত্রী রচনা বন্দোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, শতাব্দী রায়, জুন মালিয়া সকলেই দিদির পাশে দাঁড়াতে একুশের মঞ্চে যোগ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি গণতন্ত্র বাঁচাও দিবসে উপস্থিত ছিলেন, সৌমিতৃষা কুণ্ডু অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী দেবলীনা কুমার, ছোটপর্দার অভিনেত্রী তৃণা সাহা, সোমা চক্রবর্তী, তিয়াশা লেপচা, সোহেল দত্ত, শ্রীতমা ভট্টাচার্য, সোনামণি সাহা, ভরত কল, ত্বরিতা চট্টোপাধ্যায়, রিমঝিম মিত্র, অরিন্দম শীল, পিয়া সেনগুপ্ত, সুভদ্রা মুখোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। 

অভিনেতা তথা সাংসদ দেবকে তৃণমূলের শহিদ মঞ্চে দেখা যায়। এবারেও তার অন্যথা হল না। ‘প্রজাপতি ২’-এর শুটিং-এর জন্য এবং পরে পারিবারিক ভ্রমণে লন্ডন ও স্কটল্যান্ডে ছিলেন নায়ক। এদিনই সোজা বিদেশ থেকে ফিরে ২১-এর মঞ্চে যোগ দেন তিনি। তবে এবার বিধায়ক পরিচালক রাজ চক্রবর্তীকে দেখা যায়নি। সভা শেষে সকলেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একসঙ্গে গলা মিলিয়ে শ্লোগান দেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই ত‍ৎকালীন যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মহাকরণ অভিযানের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন ১৩ যুব কংগ্রেস কর্মী। সেই থেকেই প্রতিবছর ২১ জুলাই ‘শহিদ দিবস’ পালিত হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আগে কংগ্রেস, এখন তৃণমূল তা পালন করে। মমতা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই নিয়ে কমিশনও গড়েন। এখনও সেই রিপোর্ট বেরোয়নি। বাম-কংগ্রেসের অভিযোগ, গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া মণীশ গুপ্ত-রচপাল সিংরা এখন মমতার ‘কাছের লোক’। সচিত্র পরিচয় পত্রের দাবিতে নিয়ে সেদিন মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন পুলিশের গুলিতে মৃত্যু তেরো জনের শ্রদ্ধায় শহিদ দিবস পালন করে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩৩ বছর ধরে এই দিনটি পালন হচ্ছে।

‘বোনের ছবি আগাম এঁকেছিল কবীর’, কোয়েলের মেয়ে হতেই আনন্দে আটখানা দাদু রঞ্জিত

‘টলিগঞ্জের বাবু-বিবিরা ভাবমূর্তি গড়তে ব্যস্ত, তৃণমূলের কথা ভাবে না’, বিস্ফোরক কুণাল

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]