নিজস্ব প্রতিনিধি: রাম নবমীতের দু’ হাজার মিছিল বের হবে বিভিন্ন জায়গা থেকে। এক কোটি মানুষকে রাস্তায় নামার ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর(Subhendu Adhikari)। মিছিল করতে পুলিশের অনুমতি নিতে হবে না বলে নির্দেশ বিরোধী দলনেতার। বৃহস্পতিবার রাতে ভবানীপুরে একটি হোলি কি দহন অনুষ্ঠানে আদালতের অনুমতি নিয়ে উদ্যোক্তরা করলে বিরোধী দলনেতা সেখানে উপস্থিত হন। বিরোধীদল নেতা রামনবমীতে(Ramnavami) সাধারণ মানুষকে মিছিল করতে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান। তিনি বলেন কিসের কাছে অনুমতি চাইলে অনুমতি মিলবে না। মিছিল করতে পুলিশের কোন অনুমতি নিতে হবে না। বৃহস্পতিবার রাতে ভবানীপুরে ৭০ নম্বর ওয়ার্ড – এ হোলি কা দহন একটি পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন অনুমতি না দেওয়ায় হাইকোর্টে যেতে হয়। হাইকোর্টের(HighCourt) অনুমতি সাপেক্ষ এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি বলেন,আরজি কর (R G Kar)কাণ্ডের অভয়াকে বিসর্জন দেওয়ার জন্য ভবানীপুরের মানুষ ফুঁসছে। শুভেন্দু আরো বলেন,ভবানীপুরের এমএল ৪৯২ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ের পর যখন রাম মন্দিরের শুভ সূচনা হয় ,সেইদিন হাজরা থেকে পার্কসার্কাস পর্যন্ত মিছিল করেছিল রাম মন্দিরের বিরুদ্ধে।তিনি ৬৬ কোটি ভক্ত যখন মহাকুম্ভে ডুব দেয় তখন দাঁড়িয়ে তাকে কটাক্ষ করে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলেছিলেন।দাবি করেছিলেন ১৪৪ বছর পর মহা কুম্ভমেলা হচ্ছে তার ধর্মীয় ব্যাখ্যা কোথায়? হিন্দু ধর্মকে তিনি তাচ্ছিল্য করেছিলেন।ভবানীপুরে আজকের এই কর্মসূচি জায়গা পুলিশ ঠিক করে দেয়। কিন্তু তারা জানে না একদিকে নিজাম প্যালেস অন্যদিকে সমস্ত কর্পোরেট বিল্ডিং ।সমস্ত কমিউনিটির লোকেরা আজকে এই প্রোগ্রাম ডেকেছে।১০০০ জন এখানে পারফর্ম করেছেন।আরজি করে বোনটিকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তথ্য প্রমান লোপাট করেছে এখন ডেথ সার্টিফিকেটও দিচ্ছে না। বাংলার মানুষ দেখুন কত এই প্রসাশন ও মুখ্যমন্ত্রী এত নিষ্ঠুর।
আরজি কর কাণ্ডে সমস্ত তথ্য প্রমাণ নষ্ট করে দিয়েছে যতক্ষণ না বিনীত গোয়েল ও সন্দীপ ঘোষ জেলে যায় ততক্ষণ পর্যন্ত নো সিটিং, না মিটিং। শুক্রবাররক্তাক্ত নন্দীগ্রাম ১৪ মার্চ গোকুলনগর অধিকারী পাড়া শহীদ মিনারে আগে মাল্যদান করব তারপর হোলির উৎসব করব বলে বৃহস্পতিবার রাতে বিরোধী দল নেতা জানান।২০০৭ সালের ১৪ ই মার্চ গুলি করে ভূমি আন্দোলন কারিদের হত্যা করার অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন প্রশাসন সহ সিপিআইএমের বিরুদ্ধে! কেটেছে দেড় দশকের বেশি সময়। তাও নন্দীগ্রাম শহীদ তর্পণ বন্ধ হয়নি। শুক্রবার নন্দীগ্রামের অধিকারী পাড়ায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, মেঘনাথ পাল, অশোক করণ, অভিজিৎ মাইতি সহ নেতৃত্বরা উপস্থিত হয়ে শহীদ বেদিতে মাল্যদান ও শহীদ স্মরণ করেন। পরে সোনাচুড়া শহীদ মিনারে গিয়েও শ্রদ্ধা জানান নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।