Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

গত ১৭ বছর ধরে সঞ্জয়ের সঙ্গে কথাই হয়নি তার বোনের

বোনের দাবি, গত ১৭ বছর ধরে দাদার সঙ্গে তাঁর কথা হয়নি। দাদার বিয়েতে তাকে নিমন্ত্রণও করা হয়নি। দাদা তার কোনওদিন কোনও খোঁজও রাখেনি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলা(Bengal) কাঁপাচ্ছে সঞ্জয় রাই(Sanjay Rai)। এই নামটাই এখন লোকের মুখে মুখে ঘুরছে। কেননা কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে(R G Kar Medical College and Hospital) এক তরুণী চিকিৎসকের যে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা(Doctor Rape and Murder Case) ঘটে গিয়েছে, তাতে কলকাতা পুলিশ(Kolkata Police) ও সিবিআই(CBI) দুয়ের তদন্তেই এখনও পর্যন্ত এই সঞ্জয় রাই একমাত্র অপরাধী হিসাবে উঠে এসেছে। এবার সেই সঞ্জয়ের পারিবারিক সম্পর্কের বুননে এক মারাত্মক সত্য সামনে চলে এল। সঞ্জয়ের সঙ্গে নাকি তার বোনের দীর্ঘ ১৭ বছর দেখা সাক্ষাৎ নেই, কথাবার্তা নেই, কোনও যোগাযোগ নেই, এমনকি নেই কোনও সম্পর্কও। তবে সঞ্জয়ের কৃত অপরাধ মানতে নারাজ তার বোন। সামাজিক গ্লানির কারণে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে না এলেও, নিজের নাম-পরিচয় পুরোপুরি তুলে না ধরলেও তিনি জানিয়েছেন, সঞ্জয় যদি এই অপরাধ করে থাকে, তাহলে তার জন্য আদালত তাকে যে শাস্তিই দিক না কেন তা তিনি মেনে নেবেন।

আরও পড়ুন, ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক হবে ৪ লেনের, সমীক্ষার দায়িত্ব পেল RITES

মনোবিজ্ঞানীরা বার বার বলেন, মানুষের অপরাধ তত্ত্বের বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, সেই অপরাধের শিকড় লুকিয়ে আছে তার শৈশবে। এই দাবি যে খুব একটা ভুল নয়, সেটা নতুন করে সামনে চলে এল সঞ্জয়ের ঘটনায়। আর জি কর হাসপাতালের নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের দাবিতে এখনও রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলছে। সঞ্জয়কে নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তাঁর মা-ও। সঞ্জয়ের বোন কিন্তু জানিয়ে দিয়েছেন, দোষী প্রমাণিত হলে দাদার শাস্তি মানতে রাজি তিনি। অকপটে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘যদি সত্যিই কিছু করে থাকে, তাহলে যে শাস্তি দেওয়া হবে তা আমি মেনে নেব।’ সংবাদমাধ্যমে সঞ্জয়ের বোনের দাবি, গত ১৭ বছর ধরে দাদার সঙ্গে তাঁর কথা হয়নি। সন্দেহ নেই এই দাবি যদি সত্যি হয় তাহলে আগামী দিনে এই ঘটনাই কিন্তু অপরাধ বিজ্ঞানের জগতে গবেষণার বিষয় হয়ে উঠতে বাধ্য। সঞ্জয়ের বোনের দাবি, তাঁরা একই বাড়িতে একসঙ্গে বড় হয়েছেন। ছোটবেলায় কখনই সঞ্জয়ের আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা নজরে আসেনি তাঁর। তাই এখন তাঁর বিশ্বাস করতেও খুব কষ্ট হচ্ছে যে, সঞ্জয়ই আর জি করের অন্দরে ওই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটিয়েছে।

আরও পড়ুন, সুপ্রিম নির্দেশে কী কী পদক্ষেপ, জানালেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম

সঞ্জয়ের প্রসঙ্গে তাঁর বোন জানিয়েছেন, ‘ছোটবেলায় ও স্বাভাবিকই ছিল, আর পাঁচটা ছেলেমেয়ের মতোই। আমি কখনই কোনও অন্যরকম আচরণ দেখিনি। আমার বাবা আমার বিয়েটা মেনে নেননি। বলেছিলেন আমি আমার মতে বিয়ে করলে তিনি আমার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ভেঙে দেবেন। আমার বিয়ের পর থেকে তাই বাড়ির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না। আমি গত ১৭ বছর ধরে দাদার সঙ্গে কথা বলিনি। সেও আমার সঙ্গে দেখা করেনি, আমিও তাকে দেখতে যাইনি। ওর সঙ্গে বা আমার বাবা-মার সঙ্গেও আমার কোনও যোগাযোগ নেই। তাই আমি কিছুই বলতে পারছি না। তবে দাদা যে সিভিক ভলেন্টিয়ারের কাজ করে সেটা আমি জানি। প্রথমে শুনেছিলাম পুলিশের চাকরি পেয়েছে। পরে জানলাম সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ। কখনও দিনে বা কখনও নাইট শিফটে থাকত। গত কয়েক বছরে, আমি তাকে একবারও দেখিনি। ওর বিয়েতেও আমাকে কেউ বলেনি। ওর শুনছি নাকি অনেকগুলো বিয়ে। জানি না সত্যি না মিথ্যা। যে শাস্তি দেওয়া হবে তা আমি মেনে নেব। যদি সে কোনও মেয়ের সঙ্গে এমনটা করে থাকে, তবে সে সত্যিই খুব বড় অন্যায় করেছে।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00