নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজ্যে ভোটপ্রচারের মাঝে আচমকাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাহুল গান্ধী কথা! আজ, শুক্রবার রাতেই দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। কিন্তু ভোটের মাঝেই কী এমন জরুরি বিষয়ে কথা হলো দুই নেতার মধ্যে। লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়। বিরোধী শিবিরে ফাটল ধরাতে ব্যর্থ হয় মোদি সরকার। এর ফলে লোকসভাতেই আটকে গিয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। আর সেই কাজ সম্ভব হয়েছে বিরোধী শিবির জোটবদ্ধ থাকায়। সেই কারণেই ধন্যবাদ জানাতে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেন রাহুল।
আরও পডুন: ‘৪ তারিখের পর সব অত্যাচারের হিসেব হবে’, সবং থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের
বাংলায় ভোট চলছে। এর মাঝেই দলের সব সাংসদকে দিল্লিতে পাঠিয়ে বিরোধী জোটকে মজবুত করায় অভিষেককে আলাদাভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলেনতা। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা হয়। অভিষেক, কংগ্রেস নেতাকে বলেন, ‘বিজেপির বিরুদ্ধে স্রোত ঘুরছে। যদি সব সাংসদ উপস্থিত থাকতেন তাহলে বিলটির বিপরীতে ভোট ২৫০ ছাড়িয়ে যেত।’ ক্রস ভোটিং নিয়েও দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।
দু’দিনের আলোচনার পরে আজ, শুক্রবার লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভায় আসনবৃদ্ধি অর্থাৎ ডিলিমিটেশ সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে ভোটাভুটি হয়। ভোটাভুটিতে দেখা গেল বিলের পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়েছে এবং বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোট দিয়েছিলেন এদিন। সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে প্রয়োজন ছিল ৩২৬টি ভোটের। যা জোগাড় করতে পারেননি অমিত শাহরা। ভোটাভুটিতে বিলটি পাশ করাতে না পারায় সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। মুখ পুড়েছে মোদি-শাহের।