Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

স্বাধীনতার সকালে কলকাতার রেড রোডে ফুটে উঠবে ‘অখণ্ড বাংলা’র বার্তা

স্বাধীনতা দিবসের দিন কলকাতার রেড রোডে ‘অখণ্ড বাংলা’র বার্তা ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ পূরণ করার জন্য এবং বাংলা তথা বাঙালি বিরোধী গেরুয়া শিবিরের নেতারা থেকে থেকেই বাংলা ভাগের দাবি তুলে রাজ্য রাজনীতি সরগরম করে তোলেন। সেই সব দাবিদাওয়ার বিরুদ্ধে এবার স্বাধীনতা দিবসের দিন(Independence Day) কলকাতার(Kolkata) রেড রোডে(Red Road) ‘অখণ্ড বাংলা’র(United Bengal) বার্তা ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। বাংলাভাগ নিয়ে যখন জিগির তুলছে একশ্রেণির বিচ্ছিন্নবাদীরা, তখন বাংলা তথা গোটা দেশকে সঠিক বার্তা দিতে পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। এ দেশের মূল চালিকাশক্তি হলেন শ্রমজীবী মানুষ। তাঁরাই অন্নসংস্থান করেন দেশের। তাঁদের কাঁধে ভর করেই এগিয়ে চলে কলকারখানা। স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে সেনা পুলিসের পাশাপাশি রেড রোডে তাই হাঁটবেন তাঁরাও। আর পা মেলাবেন জীবনরক্ষার দায়িত্ব যাদের হাতে সেই চিকিৎসক-নার্সরা। হাঁটবেন আইনজীবীরাও। সবমিলিয়ে রাজ্যের সব শ্রেণিকে একত্র করে অখণ্ড বাংলার পরিপূর্ণ চিত্র তুলে ধরা হবে বিশ্বের সামনে। মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে হাতে হাত মেলাবে পাহাড় থেকে সাগর।

আরও পড়ুন, জম্মুর কিস্তওয়াড়ে সকাল থেকেই সেনা এবং জঙ্গিদের গুলির লড়াই

২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান রেড রোডে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সেই রেড রোডে ২০২৪’এর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেই তুলে ধরা হচ্ছে অখণ্ড বাংলার বার্তা। এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল থেকে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের সকল শ্রেণির শ্রমজীবী মানুষ। থাকছেন পাহাড় ও উত্তরবঙ্গের চা বাগানের শ্রমিক, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কৃষক এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের শ্রমিক, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, চিকিৎসক, নার্স আইনজীবী। নবান্নের আধিকারিকদের দাবি, মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন মহল থেকে বাংলা ভাগের জিগির তোলা হয়। ধারাবাহিকভাবে যার তীব্র বিরোধিতা করে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। শাসক-বিরোধী সহমত হয়ে বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে প্রস্তাবও পাস হয়েছে বিধানসভায়। এই আবহেই মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে শ্রমজীবী মানুষের যুক্ত হওয়া, বিশেষ বার্তা বহন করবে। দেশের মানুষের কাছে অখণ্ড বাংলার বার্তা আরও পরিষ্কার হবে।

আরও পড়ুন, প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা নটবর সিং

আগামী বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তখন পুষ্পবৃষ্টি করবে জাতীয় পতাকা বহনকারী দু’টি হেলিকপ্টার। কুচকাওয়াজের শুরুতে থাকবে প্যারেড কমান্ডার্স জিপ। তারপর একে একে এগিয়ে আসবে সেনা, পুলিসের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট, একতার বার্তা নিয়ে সম্প্রতি মিছিল, জয় হিন্দ বাহিনী ও একাধিক স্কুলের পড়ুয়া। যোগ দেবেন খেলার জগতের বিশিষ্টরা। তুলে ধরা হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বাংলার শাড়ি, সবুজসাথী, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড সহ রাজ্যের একাধিক প্রকল্প। এবারের অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছে বনসৃজনের প্রকল্প ও আদিবাসী নৃত্য। অনুষ্ঠানে থাকছে একটি বিশাল আকৃতির দুর্গা মূর্তি। কেননা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে কলকাতার দুর্গাপুজো। সে কারণে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে দুর্গা মূর্তি নিয়ে অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। অনুষ্ঠান চলবে ১১টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত।

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, প্রথম দফায় বিজেপির ৭০ শতাংশ প্রার্থীই ‘দাগি’

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন বৃদ্ধি বিল পাশ করাতে পারল না মোদি সরকার

জ্যান্ত পিঁপড়ে পাচারের দায়ে জরিমানাসহ ১ বছর কারাদণ্ড চিনা ব্যক্তির

সোমেই পুরোপুরি থামবে যুদ্ধ! পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসছে আমেরিকা-ইরান

0:00