নিজস্ব প্রতিনিধি: নবান্ন অভিযানে ডিউটি করতে এসে কোন পুলিশ কর্মীকে আঘাত পেতে হল চোখে। আবার কারোর মাথা ফাটলো। ঝড়ল রক্ত। কাউকে আবার মাটিতে ফেলে বেধড়ক দেওয়া হল লাথি, ঘুসি কিল, চড় । আরজি কর কাণ্ডে ছাত্র সমাজের ডাকে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে এসে দফায় দফায় পুলিশের কপালে জুটলো আন্দোলনকারীদের আক্রমণ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার(Supratim Sarkar) এবং এডিজি (আইন শৃঙ্খলা )মনোজ ভার্মা(Manoj Verma) সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান আগাম পুলিশের কাছে খবর ছিল নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে মানুষের যাতে মৃত্যু হয় সেই চেষ্টা চালানো হবে।
কিন্তু ১২ জন পুলিশ কর্মী আহত হলেও গোটা পুলিশ ফোর্স চক্রান্তকারীদের ফাঁদে পা দেয় নি। পুলিশ সংযত ছিল। ৯৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নামে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে আন্দোলনের নামে তাতে কোনো ছাত্র সমাজ বা ছাত্র-ছাত্রীরা এই ধরনের তাণ্ডব করতে পারে না। দেড় ঘন্টা ধরে তান্ডব চালানো হয়েছে পুলিশকে আক্রমণ করা হয়েছে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। এই মিছিলে অস্ত্র, বোমা,গুলি নিয়ে আসার পরিকল্পনা ছিল।
সোমবার রাত থেকে দফায় দফায় যদি পুলিশ ২৫ জনকে গ্রেফতার না করত, তাহলে মঙ্গলবার যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তার থেকে আরো ভয়ংকর হত। মানুষের প্রাণ হানি ঘটতে পারতো। বুধবার একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে বনধ ডাকা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে সুপ্রতিম সরকার বলেন, মুম্বাই হাইকোর্টের এই বনধ নিয়ে নির্দিষ্ট অর্ডার আছে যে, এই ধরনের বন্ধ পুরোটাই বেআইনি।