Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বাংলা থেকে উধাও ১ কোটি ৩২ লক্ষ রেশন গ্রাহক

গত ১ বছরে বাংলায় রেশনের গ্রাহক কমে গিয়েছে অস্বাভাবিক হারে। কমেছে মোট ১ কোটি ৩২ লক্ষ গ্রাহক। আর সেই কমতি ধরা পড়েছে খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের ভোট মিটে গিয়েছে ১ বছর আগেই। আর ভোট মেটার ১ বছরের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে বাংলায়(Bengal) রেশন গ্রাহকের(Ration Card Holders) সংখ্যা কমে গিয়েছে অস্বাভাবিক হারে। ২০২১ সালের জুলাই মাসে বাংলায় মোট রেশন গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ১০ কোটি ৪৫ লক্ষ। চলতি বছরের আগস্ট মাসে তা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ১৩ লক্ষ। অর্থাৎ মাত্র ১ বছরে বাংলার বুকে রেশন গ্রাহক কমে গিয়েছে ১ কোটি ৩২ লক্ষ। কেন এই অস্বাভাবিক পতন তা নিয়েই এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও রাজ্যের খাদ্য দফতরের(Food Department) আধিকারিকদের দাবি, রেশন কার্ডে স্বচ্ছতা আনতে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের জেরে গ্রাহকের সংখ্যা কমেছে। বিশেষ অভিযান চালিয়ে মৃত রেশন গ্রাহকদের চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি অস্তিত্বহীন গ্রাহকদের কার্ড নিস্ক্রিয় করা হয়েছে। কিন্তু কোনও বৈধ রেশন গ্রাহককে বঞ্চিত করা হচ্ছে না। আর এই পদক্ষেপের দরুন রাজ্য সরকারের আর্থিক সাশ্রয়ও হচ্ছে।

রাজ্যের খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রেশন গ্রাহক কমার প্রবণতা মূলত দেখা যাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের(Food Security Project) আওতায় থাকা গ্রাহকের মধ্যে। এই প্রকল্পের গ্রাহকের সংখ্যা ৪ কোটিরও বেশি ছিল ২০২১ সালে। তা এখন নেমে এসেছে ৩ কোটি ১৬ লক্ষে। দেখা যাচ্ছিল ওই প্রকল্পে মৃত ব্যক্তিদের কার্ডে দীর্ঘদিন ধরে রেশন যেমন তোলা হচ্ছিল তেমনি ভুয়ো নামেও প্রচুর রেশন কার্ড সক্রিয় রাখা হচ্ছিল। রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার(Aadhar Card) নম্বর যোগের প্রক্রিয়া চালু হতেই এই দুই ধরনের কার্ড চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে। বেশ কিছু সময় ধরে ব্যবহার না করার পাশাপাশি আধার নম্বর যাচাই প্রক্রিয়া বাকি থাকার জন্য রেশন কার্ডগুলি ব্লক বা নিস্ক্রিয় করা হয়েছে। ব্লক হওয়া কার্ডের গ্রাহক নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করলে তাঁর কার্ড অবশ্য এখনও পুনরায় চালু করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এই ধরনের অধিকাংশ গ্রাহক কার্ড চালু করতে আসছেন না। আর তাতেই বোঝা যাচ্ছে ভুয়ো কার্ডের সংখ্যা ঠিক কত ছিল।

তবে এটাও ঘটনা যে ১ বছরের মধ্যে এই বিপুল সংখ্যক কার্ড কমে যাওয়ার পিছনে শুধু অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো রেশন গ্রাহকের উপস্থিতি রয়েছে এটা অনেকেই মানতে চাইছেন না। এই বিষয়ে  রেশন ডিলারদের সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশন’র সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, বহু বৈধ রেশন গ্রাহকের কার্ড ব্লক হয়েছে নানা কারণে ই-কেওয়াইসি না করতে পারার জন্য। তাঁরা খাদ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ই-কেওয়াইসি করার পরও কয়েক মাস লেগে যাচ্ছে কার্ড চালু হতে। পরিবারের দুই একজনের ই-কেওয়াইসি বাকি থাকলে শুধু তাঁদের আধার নম্বর দিয়ে খাদ্য দিলে ডিলারদের শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। তবে খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের সাফ জবাব, বাংলায় রেশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা বজায় থাকবে। আর তাই ভুয়ো কার্ড, মৃত গ্রাহকদের কার্ড, কেওয়াইসি না করা গ্রাহকদের কার্ড ব্লক করার ব্যবস্থা চলবে। কোনও কার্ড পুরোপুরি বাতিল করা হবে না। গ্রাহকের অস্তিত্ব প্রমাণ হলেই ব্লক খুলে দেওয়া হবে। প্রতি মাসে রেশন গ্রাহকদের সংখ্যা ওঠা-নামা করবে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00