নিজস্ব প্রতিনিধি: RG KAR ঘটনায় ধিক্কার জানাই ।আমরা চাই অপরাধী শাস্তি পাক। এখন এটা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে। আন্দোলনকে সমর্থন করে সুপ্রিম কোর্টের কথাকে মান্যতা দিয়ে সামঞ্জস্যতায় বসতে চেয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী(CM)। কিন্তু সেই প্রয়াস বাস্তবে রূপ নিল না। রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য(Minister Chandrima Bhattacharya)।আন্দোলন কারীরা একটা চিঠি দেয়। মুখ্যমন্ত্রী শনিবার সময় দেন সন্ধ্যা ছটা থেকে রাত্রি নটা পর্যন্ত। তারা দাঁড়িয়ে যান। কিন্ত তারা সারা দেন নি। সবাই যখন বেরিয়ে যাচ্ছে তখন তারা আলোচনা করতে চেয়েছেন তাই আর হয়নি।
৯ অগস্ট একটি মেয়ে খুব ন্যক্কারজনকভাবে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিল এবং তাঁর মৃত্যুও হয়েছিল। সেই ৯ অগস্টের পর থেকে জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলন করছেন। কর্মবিরতি ও করছেন, আমরা মাননীয়া নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ নিচ্ছি।মুখ্যমন্ত্রী শনিবার বলেছেন জুনিয়ার ডাক্তারদের এইরকম বৃষ্টিতে কষ্ট তোমরা করছো, সেখানে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েকটা দাবি তিনি মেনে নিয়েছিলেন। তিনি পরবর্তীতে জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষ থেকে তারা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চায়। কয়েকদিন ধরেই কেউ দেখা করতে আসেনি।মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কেউ যাতে না ভেজেন।
তিনি কতটা স্নেহপ্রবন, তাঁর বাড়ির দরজায় তখন। যদি আলোচনা না চান, তাহলে এক কাপ চা খেয়ে চলে যাবেন বলে উনি বলেছেন।৬টা থেকে ৯টার মধ্যেএকটা বাড়িতে ৪০ জন আসার জায়গা দিয়েছেন।৪০ জনকেই আসার নির্দেশ দিয়েছিলেন।আধিকারিকরা সবাই যখন এবং আমিও বেরিয়ে যাচ্ছি, তিন ঘন্টাঅপেক্ষা করার পরে যখনতারা যখন বলবেন, তখনই সরকারকে রেডি থাকতে হবে, প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।এই কর্মবিরতি মানুষের পক্ষে কতটা প্রাণঘাতী হচ্ছে।অন্তত ৭ হাজার মানুষ বিভিন্ন অপারেশনের জন্য অপেক্ষা করছেন।মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সবসময় তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। ৭ জন ডাক্তারকেও সরিয়ে দিতে বলেছেন।তিনি বলেছেন,তারা যখন বলবেন, তখনই সরকারকে রেডি থাকতেখতিয়ে দেখার কথা বলেছেন। যা যা করার তিনি বলেছেন।এটা একটা বিচারবিভাগীয় বিষয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী সবসময় তার সহনশীলতা দেখিয়েছেন। জাস্টিসের দাবি তো মুখ্যমন্ত্রী নিজেও করেছেন। নিজেদের আবেগকে শ্রদ্ধা সবাই জানায়।তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, বড় দিদি হিসেবেযতটা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী করার, তিনি করেছেন।
রাজ্য সরকার তো বসে আছে, কিন্তু তারা যখন বলবেন তখন সরকারকে আসতে হবে। এই ন্যারেটিভ তৈরি করা, এটা বোধহয় ঠিক নয়। ওদের ৩৬ দিনের আন্দোলনকে শুধুমাত্র ৩ ঘন্টা মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছেন,বিচারাধীন মামলা সুপ্রিম কোর্টে, এটাতাঁর মানসিকতা তিনিএই যে বিশ্বাসযোগ্যতা, ধরুন ১০ জন প্রতিনিধিকে বিশ্বাস করে পাঠিয়েছেন।এটা রেকর্ডিং হবে,তিন ঘন্টা কার প্রভাব আছে। সবাই আমরা মনে করি জুনিয়র ডাক্তাররা(Junior Doctor)এরা কর্মক্ষেত্রে ফিরে আসবে। এমনটাই মন্তব্য করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।