Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

দিল্লির অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকবার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দিল্লির ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকপ্রকাশ করে টুইট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোকবার্তা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দিল্লির(Delhi) মুন্ডকা(Mundhka) মেট্রো স্টেশনের কাছে শুক্রবার বিকালে একটি ৪তলা বাড়িতে আগুন(Fire) লাগার ঘটনায় শনি সকাল পর্যন্ত সরকারি ভাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে। ২৭। সেই সঙ্গে নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ৭০ ছুঁয়ে ফেলেছে। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অন্তত ১২জন। এছাড়াই আরও ৪২জন দগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কার্যত সময় যত গড়াচ্ছে ততই উদ্বেগ ছড়াচ্ছে নিখোঁজদের পরিজনদের মধ্যে। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে অভিশপ্ত ওই বাড়ির দোতলা থেকে বেশ কিছু দেহাংশ পাওয়া গিয়েছে। তাই নিখোঁজ মানুষদের সবাই কী অবস্থায় রয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও দমকল কর্তৃপক্ষের দাবি তাঁরা প্রায় ৫০জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। এবার এই ঘটনার জেরেই শনিবার সকালে টুইট(Tweet) করে শোকজ্ঞাপন করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)।  

দিল্লির ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন লিখেছেন, ‘দিল্লিতে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের কারণে বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির আকস্মিক খবরে অত্যন্ত মর্মাহত ও দুঃখিত। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’ শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন মৃতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ও আহতদের পরিবার পিছু ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনারের এস শর্মা জানান, বিল্ডিংয়ের মালিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে বিল্ডিংয়ের একতলায় একটি সিসিটিভি ও রাউটার তৈরি সংস্থার অফিস ছিল। সেখান থেকেই শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক দলকে দেহগুলি চিহ্নিতকরণের জন্য আনা হয়েছে।

চারতলা বিল্ডিংটিতে যে কোম্পানি ছিল, তার দুই মালিক হরিশ গোয়েল এবং বরুণ গোয়েলকে পুলিশ রাতেই গ্রেফতার করে। কেননা এই দুই ব্যক্তি দমকলের কাছ থেকে কোনও রকম ছাড়পত্র না নিয়েই একগাদা অফিস খুলে বসেছিলেন। বিল্ডিংটির মালিক মণীশ লাকরা প্রথমে গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পরে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। শুক্রবার দমকলের ৩০টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় ৭ ঘণ্টারও বেশি সময় পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার আগে ওই ৪ তলা বাড়িতে ১৫০জনেরও বেশি মানুষ উপস্থিত ছিল বলে জানা গিয়েছে। এমনিতেই ওই বাড়িটির দোতলায় ছিল একটি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং রাউটার সারাইয়ের কোম্পানি। তাতেই শতাধিক লোক কাজ করতেন। শুক্রবার আবার ওই বাড়িত তিন তলায় একটি মোটিভেশনাল স্পিচের অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছিল। সেখানে অনেকেই অংশ নিয়েছিলেন। ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিন তলাতে প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটেছে। ছাদের দরজায় তালা লাগানো থাকায় তাঁরা চট করে বেড়িয়ে যেতেও পারেননি। শনিবার সকালে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তরফে বিকাশ সাইনি জানান, ‘দোতলায় কিছু দেহাংশের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। আগামী ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা গোটা বিল্ডিং তল্লাশি করা হবে। আমরা নিশ্চিত করব, যাতে কেউ ভিতরে আটকে না থাকে।’ যদিও এই বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া বিল্ডিংয়ের সামনে এদিন সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছেন নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা খুঁজে চলেছেন নিকটজনদের।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00