Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

তারুণ্যের স্বপ্নমহলে উড়ান মমতার, বিঁধলেন বিরোধীদের

সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই নাম না করেই মুখ্যমন্ত্রী বিঁধলেন গেরুয়া ব্রিগেডের পাশাপাশি মিডিয়াকেও। সেই সঙ্গে স্বপ্ন দেখালেন তরুণ প্রজন্মকে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পড়ুয়াদের পাশাপাশি রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের পাশে বারে বারে দাঁড়িয়েছেন বাংলার অগ্নিকন্যা। সোমবারও দাঁড়ালেন তাঁদের পাশে। তাঁদের নিয়েই স্বপ্ন উড়ানের পাড়ি জমালেন। আর বিঁধলেন বিরোধীদের। নাম না করেই। হালকা করে ছুঁয়ে গেলেন গিরিকাণ্ডও। সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে(Netaji Indoor Stadium) ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের আওতায় ছাত্রছাত্রীদের হাতে স্মার্টফোন বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়েই রাজ্যের তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখাবার পাশপাশি আক্রমণ শানলেন বিরোধী পক্ষকেও।

আরও পড়ুন অখিলকাণ্ডে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে, নীরব মুখ্যমন্ত্রী

পড়ুয়াদের(Students) উদ্দেশ্য করে দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘লোভ করতে যেও না। আজ আছি কাল নেই। লোভ করে কী হবে। নিজে দাঁড়িয়ে বলবেন আমার দাম কোটি-কোটি টাকা থেকে বেশি। মনুষত্বের দামের বিকল্প হয় না। আগে স্কুল কলেজে কম নম্বর দিত। আমাদের সময় হাত থেকে নম্বর গলত না। আর এখন কেউ ৮৮ কেউ ৯৯ পাচ্ছে। আমি ক্ষমতায় আসার পর বললাম সিবিএসসি-আইসিএসসি তে ছেলেমেয়েরা অনেক নম্বর পায়। সেই প্রতিযোগীতায় বেশি নম্বর না দিলে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে পড়বে। সেই জন্য বললাম বাড়িয়ে দাও নম্বর। যাতে তাঁরা সারা বিশ্বে নজর কাড়তে পারে। আমাদের শিক্ষকরা ভাল পড়ান। ছাত্র-ছাত্রী ভাল তৈরি করেন। তাই স্মার্ট ফোন নিয়ে সারা পৃথিবী খুঁজবেন। আপনার যা চাই সব তথ্য পেয়ে যাবে। একটা জায়গা থেকে তথ্য নেবেন না। ক্রসচেক করবেন। কোনও ফেক-ভেক টিউব নয়, যে সত্য তথ্য দেবে তাঁকে ভরসা করবেন। নিজের বুদ্ধি কাজে লাগান। কোনও সংকটে ভয় পাবেন না। সাহসীভাবে লড়াই করাই আমাদের কাজ। ২০১১ থেকে ২০২২ এর মধ্যে ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। আমরা আইএস-আইপিএস ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছি। ৫১টি নতুন কলেজ, ৭ হাজার নতুন স্কুল, ২ লক্ষের বেশি শ্রেণিকক্ষ তৈরি হয়েছে। সাঁওতালি মিডিয়াম তৈরি হয়েছে, ৮০ লক্ষের বেশি কন্যাশ্রী পেয়েছেন, ১ কোটির বেশি ছেলে সবুজসাথীর সাইকেল পেয়েছেন। করোনার সময় যখন ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারতেন না। পড়াশোনায় অসুবিধা হত, তখনই আমি সিদ্ধান্ত নিই যাতে ওরা অনলাইনে পড়াশোনা করতে পারে। ১৭ লক্ষ ছেলেমেয়ে টাকা পেয়েছেন ইতিমধ্যে। আজকে বাড়ি গিয়েই দেখবেন ১০ লক্ষ ছেলেমেয়ের ব্যাঙ্কে টাকা ঢুকে গিয়েছে।’

আরও পড়ুন বঙ্গবাসী সতর্ক হন মোবাইল ব্যবহার নিয়ে, সমীক্ষা নবান্নের

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী এদিন নাম না করেই বিঁধেছেন গেরুয়া ব্রিগেডকে। একহাত নিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকেও। বিজেপির(BJP) নাম মুখে না নিয়েই মমতা বলেন, ‘কিছু লোক যারা বাংলাকে ভালবাসে না তারা সারাক্ষণ চক্রান্ত, অপপ্রচার করছে। বাংলায় বসেই বাংলা বিরোধী কাজ করবে। শুধু কূটকচালি। বাংলায় থেকে দিল্লিকে বলছে টাকা না দিতে। বাংলায় খেয়ে, বাংলায় পড়ে দিল্লিকে বলছে বাংলায় টাকা দিও না। আমার বয়েই গেছে টাকা নিতে। বাংলা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। দিল্লির মনে রাখতে হবে আমাদের আত্মসম্মান রয়েছে। এটা ছিনিয়ে নিতে দেব না।’ এরপরেই মিডিয়াকে(Media) একহাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টেলিভিসন চ্যানেল বেশি দেখবেন না। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সারাক্ষণ ওরা বলে। আমি যখন রেলমন্ত্রী ছিলাম একটা আরশোলা বের হলেও বলত আরশালা বেরিয়েছে। আর এখন বিছানাও নোংরা। ভাল করে দেয় না। সেটা কতবার দেখাও? টিআরপি বাড়াতে ভেজাল খবর দেখায়। সব তথ্য সত্য নয়।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00