Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সঞ্জয় রায় আর জি কর হাসপাতালে ছাত্রী খুনের ঘটনায় অন্যতম অপরাধী: পুলিশ কমিশনার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর জি কর হাসপাতালে শুক্রবার যে ঘটনা ঘটেছে তা খুব দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। শুক্রবার আর জি কর হাসপাতাল(R G Kar Hospital) থেকে ঘটনাটি জানা মাত্র স্থানীয় থানা ঘটনাস্থলে যায় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে অতি দ্রুত ডেকে নিয়ে এসে তদন্ত শুরু করা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ প্রথম আরজিকর হাসপাতালের পক্ষ থেকে কলকাতা পুলিশকে জানানো হয় চেস্ট ডিপার্টমেন্টে এক চিকিৎসকের মৃতদেহ পড়ে আছে।শনিবার লালবাজারে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানান কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত কুমার গোয়েল(C.P. Binit Kumar Goyel)। তিনি বলেন, ওই ছাত্রীর ময়না তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। গোটা পোস্টমর্টেমটি ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে।

এরপর কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে সাতজনের একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় ।ওই কমিটিতে ডিসিডিডি (স্পেশাল)(D.C.D.D. Spl.) এবং টালা থানার অফিসার ইনচার্জকে রাখা হয়। এই ঘটনা তদন্তে নেমে একজনকে ওই ঘটনায় যুক্ত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে শনিবার আদালতে পেশ করা হবে । এই ঘটনায় যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেখানে হাসপাতালে ঘটনাস্থল এর কাছে থাকা সিসিটিভি(CCTV) ফুটেজ থেকে এবং যেখানে ওই ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল তার কাছে পাওয়া কিছু এভিডেন্সের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কাউকে না জানিয়ে ওই ছাত্রীর মৃতদেহ শুক্রবার রাতে কলকাতা পুলিশ বের করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠছে। এই প্রসঙ্গে কলকাতার পুলিশ কমিশনার দাবি করেন যখন ওই ছাত্রীর মৃতদেহ হাসপাতাল থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তখন তার পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছিলেন এবং সাংবাদিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ কমিশনার দাবি করেন, সারারাত ধরে এই ঘটনায় তদন্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, যখন ময়নাতদন্ত হচ্ছিল সেই সময় সাক্ষী হিসেবে ছাত্রদের সেখানে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনায় খুন ও ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। গোটা ঘটনাটি এখন সবেমাত্র প্রথম পর্যায়ের তদন্তের মধ্যে রয়েছে। তাই এখনই এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। ঘটনার পর মাত্র চব্বিশ ঘন্টা কেটেছে। এখনই সমস্ত বিষয়টি প্রকাশ্যে বলা সম্ভব নয়। এই ঘটনাটি যেহেতু একটি ভিন্ন অপরাধ তাই সর্বোচ্চ শাস্তি যাতে হয় সেটা কলকাতা পুলিশ দেখবে। যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার নাম সঞ্জয় রায়। সে এই ঘটনায় অপরাধী বলে পুলিশ মনে করছে। ধৃত অপরাধী যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি পায় তা দেখবে কলকাতা পুলিশ(Kolkata Police)। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে,এই সঞ্জয় রায়ের (Sanjay Roy)মোবাইল ফোনের ব্লুটুথ এর সেরা অংশের সূত্র ধরে তাকে পুলিশ শুক্রবার রাতে প্রথমে টালা থানায় নিয়ে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ জেরা। এরপর ভোররাতে অসংলগ্ন কথাবার্তা দরুন গ্রেফতার করা হয়। একজন সিভিক ভলেন্টিয়ার এর প্রসঙ্গ নিয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত কুমার গোয়েল জানান, এখনই এই ঘটনার সবকিছু প্রকাশ্যে বলা সম্ভব নয়। তদন্ত চলছে আরও বেশ কিছু তথ্য সামনে আসবে খুব শীঘ্রই। কলকাতা পুলিশ এই খুনের দ্রুত কিনারা করবে।

বাংলার প্রথম দফার ভোটের ৩ দরিদ্র প্রার্থীকে চেনেন?

‘‌মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব’‌, নির্বাচন মরশুমে বার্তা মমতার

জঙ্গলমহলে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী, মমতার পাশে থাকার বার্তা

‘‌তৃণমূলের পার্টি অফিসে, প্রার্থীর বাড়িতে তল্লাশি করছে’‌, কোচবিহার থেকে তোপ মমতার

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি, হরিণঘাটার ঘাসফুল কাউন্সিলরের গ্রেফতারে সরব তৃণমূল

0:00