নিজস্ব প্রতিনিধিঃ প্রতিবেশী দেশের চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন । আর এবার তাঁকেই বাঁচিয়ে তুলল বাংলার চিকিৎসকেরা । প্রাণ বাঁচলো বছর বত্রিশের ইয়াংকি। এমনই নজিবিহীন ঘটনা ঘটল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সেসে। জানা গিয়েছে, ইয়াংকি যখন শেষবার সজ্ঞানে ছিলেন তখন তাঁর সন্তান প্রসব হয়নি । এরপর সন্তানদের ভূমিষ্ঠ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অসহ্য মাথাব্যথা। বমি। আর কিচ্ছু মনে নেই তাঁর।
ভুটানের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন,’ ইয়াংকিকে কোমায় চলে গেছেন । ‘ এই অবস্থায় তাঁকে সুদূর ভুটান থেকে মল্লিকবাজারের হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বামী ওয়াংচুর। ভর্তি করেন নিউরো সায়েন্সেসে। চিকিৎসক ডা. দেবজ্যোতি পাঠকের অধীনে তৈরি হয়েছিল টিম । তারাই ইয়াংকির চিকিৎসা করেন । শেষে ওখানকার চিকিৎসক ডা. সুপর্ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাতেই স্ত্রীকে ফিরে পেলেন ওয়াংচুর।
স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডি. সিদ্ধার্থ শঙ্কর আনন্দ জানিয়েছেন, ‘রোগী আসার পর আমরা একাধিক পরীক্ষা করি। তখনই আমরা জানতে পারি, সন্তান ডেলিভারি করানোর সময় যে স্পাইনাল অ্যানাস্থেশিয়া দেওয়া হয় তার থেকেই কিছু হয়েছে। এমন ঘটনা যদিও অত্যন্ত বিরল। সেইজন্য রোগীর ঘুম ভাঙানোটা আমাদের কাছে বেশ চ্যালেঞ্জ হয়ে গিয়েছিল । এমতাবস্থায় রীতিমতো রিসার্চ শুরু করেন ডা. সুপর্ণ গঙ্গোপাধ্যায়। আর তাতেই প্রাণ বাঁচল ইয়াংকির।‘