Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

স্বল্পমেয়াদী কোর্সেই ২০ হাজার যুবক-যুবতীর চাকরি

PBSSD’র তথ্য বলছে ২০২৩ সালে স্বল্পমেয়াদী কোর্স করে বাংলার ২০ হাজার যুবক-যুবতীর চাকরি পেয়েছে। নেপথ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কয়েকদিন আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) দাবি করেছিলেন, Skill Training-য়ে বাংলা দেশের এক নম্বর রাজ্য(Bengal)। সেই দাবি যে নিছক ঠুনকো তা কিন্তু নয়। সেই দাবির পিছনে রয়েছে যথার্থ প্রমাণ। রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা দফতরের(Department of Technical Education) অধীনে থাকা Paschim Banga Society for Skill Development বা PBSSD’র তথ্য বলছে ২০২৩ সালে স্বল্পমেয়াদী কোর্স করে বাংলার ২০ হাজার যুবক-যুবতীর চাকরি পেয়েছে। এইসব যুবক-যুবতীদের কেউই উচ্চশিক্ষিত নয়, বরঞ্চ তাঁরা অল্প শিক্ষিতদের দলেই পড়েন। তারপরেও তাঁরা কিন্তু চাকরি পেয়েছেন ও তা করছেনও। রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা দফতরের অধীনে একাধিক বিভাগে এমন হাজারো কোর্স রয়েছে। তবে স্বল্পমেয়াদী কোর্সে কর্মসংস্থানের এই হার নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।   

জানা গিয়েছে, PBSSD’র এইসব স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষণ হয়ে থাকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে। ওইসব সংস্থাগুলি নিজেদের প্রয়োজনমতো মানবসম্পদ তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। Mahindra, Tata Metallics, Larsen & Toubro’র মতো ভারতীয় বহুজাতিক সংস্থা ছাড়াও ৭০০’র বেশি সংস্থা এই প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত। PBSSD’র কাছ থেকে এই সংস্থাগুলি প্রশিক্ষণের জন্য প্রার্থী পিছু অর্থ পেয়ে থাকে। আর এদের পাকাপাকিভাবে নিয়োগ করলে তার জন্য বরাদ্দ থাকে আরও কিছু অর্থ। এর ফলে ছাত্রছাত্রী এবং সংস্থাগুলি—উভয়ই উপকৃত হয়। মধ্যস্থতা করে PBSSD। বিভিন্ন জেলায় প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলি ছড়িয়ে রয়েছে। এখন সংস্থাগুলির কাছ থেকে যে মর্মে লিখিত প্রতিশ্রুতি নেওয়া হয়, সেখানে বলা হয়, তাদের যত কর্মী প্রয়োজন, তার দ্বিগুণের বেশি প্রার্থীকে তারা প্রশিক্ষণ দিতে পারবে। অর্থাৎ, যতজন প্রশিক্ষণ পাবেন, তার অন্তত ৫০ শতাংশ কাজে নিযুক্ত হয়ে যান। পঞ্চম শ্রেণি, অষ্টম শ্রেণি, দশম শ্রেণি বা দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ—সব ধাপের ছাত্রছাত্রীদের জন্যই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।

এর পাশাপাশি PBSSD’র Recognition to Prior Learning নামের কোর্সও চালু রয়েছে। সেখানে স্বল্পকালীন কোর্সের পরে বিভিন্ন পেশায় আগে থেকেই নিযুক্ত রাজমিস্ত্রি, ছুতোর, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার প্রভৃতি শ্রেণির পেশাদারদের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এতে যেমন তাঁরা সামাজিক সম্মান পাচ্ছেন, তেমনই বড় কোনও সংস্থার দরজাও তাঁদের সামনে খুলে যাচ্ছে। কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে Skill Training-য়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা দফতর। তাঁদের অধীনে থাকা নানা বিভাগের এই সব স্বল্পকালীন কোর্সের প্রচার আরও বাড়লে রাজ্যের আরও বেশি সংখ্যক যুবক-যুবতী এই সুবিধার কথা জানতে পারবেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00