Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নেশামুক্তি কেন্দ্রে পিটিয়ে খুন, রণক্ষেত্র বেলঘরিয়া

নেশামুক্তি কেন্দ্রের ডাক্তারের বিরুদ্ধেই। উত্তেজিত জনতা ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ওই কেন্দ্রে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বেলঘরিয়ার (Belgharia) নেশামুক্তি কেন্দ্র। এক যুবককে পিটিয়ে মারার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। অভিযোগ, নেশামুক্তি কেন্দ্রের ডাক্তারের বিরুদ্ধেই। উত্তেজিত জনতা ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ওই কেন্দ্রে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ (Police) বাহিনী। বেলঘরিয়ার ৫ নম্বর যতীন দাস এলাকায় ওই কেন্দ্রটি।

মৃত যুবকের নাম সুমন সর্দার। অভিযোগ, নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি হয়েছিলেন ওই যুবক। তাঁকে চিকিৎসা না করে মঙ্গলবার সকালে পিটিয়ে মারেন নেশামুক্তি (Rehub) কেন্দ্রের চিকিৎসক। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই এলাকা জুড়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। চালানো হয় ভাঙচুর। এই ঘটনার খবর যায় স্থানীয় থানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বেলঘরিয়া থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা বিশাল পুলিশ বাহিনী।

মৃতের মা রিঙ্কু সর্দারের অভিযোগ, কেষ্টপুর থেকে এসে তিনি তাঁর ছেলেকে এখানে ভর্তি করেছিলেন গত বৃহস্পতিবার। শুক্রবার দিয়ে গিয়েছিলেন প্রয়োজনীয় জামাকাপড়। তখন কেন্দ্র থেকে তাঁকে বলা হয়েছিল, আগামী ৪৫ দিন আসা যাবে না। মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ কেন্দ্র থেকে ফোন আসে তাঁর কাছে। বলা হয় সুমনের শরীর খুব খারাপ। ৩০ মিনিটের মধ্যে আসুন। আর তিনি এসে দেখেন তাঁর ছেলে মৃত।

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উত্তপ্ত হয় এলাকা। চলে ভাঙচুর। তবে পুলিশ এলে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। অন্যদিকে সুমনের মামার দাবি, সুমন খুব অসুস্থ খবর পেয়ে আসেন। তখনও বেঁচে সুমন। কেন্দ্র প্রায় ১ ঘণ্টা ঢুকতে দেয়নি তাঁদের। এই অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এরপরে খবর আসে সুমন মৃত। উল্লেখ্য, ডাক্তারের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে। অভিযোগ, অভিযুক্ত ডাক্তার ভুয়ো। অভিযোগ, নেশাকেন্দ্রের নামে আসলে লোক ঠকানো ব্যবসা চালানো হয়। আরও বলেন, এমবিবিএস ডিগ্রি র‍য়েছে দাবি করা ডাক্তার এমবিবিএসের পুরো নাম বলতে পারেন না।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছিল, ছেলে শারীরিক ভাবে অসুস্থ ও ভুলভাল বকত বলে তাঁকে এই কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। আরও অভিযোগ, পেটানোর ফলে ছেলের দেহে রক্ত জমাট বেঁধেই মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত ডাক্তার ও ওই কেন্দ্রের সকলকে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়েছে বলে জানা যায়নি। তবে আটক করা হয়েছে ওই বাড়ির মালিককে।

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, প্রথম দফায় বিজেপির ৭০ শতাংশ প্রার্থীই ‘দাগি’

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন বৃদ্ধি বিল পাশ করাতে পারল না মোদি সরকার

জ্যান্ত পিঁপড়ে পাচারের দায়ে জরিমানাসহ ১ বছর কারাদণ্ড চিনা ব্যক্তির

সোমেই পুরোপুরি থামবে যুদ্ধ! পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসছে আমেরিকা-ইরান

0:00