Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পুজোর ভিড় ও আন্দোলন সামলে নায়ক কলকাতা পুলিশ

ভিড় ও আন্দোলন সামলে নায়ক হয়ে ওঠার তকমা কলকাতা পুলিশের মুকুটে। সব চ‌্যালেঞ্জ জয় করে চ‌্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছে পুলিশই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: জয়ের আস্বাদ এসেছিল পুজোর আগেই। আর জি কর কাণ্ডে আদালতে পেশ করা সিবিআইয়ের চার্জশিটেই ছিল সেই জয়ের আস্বাদ। সঠিক পথে তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ(Kolkata Police)। চেষ্টা করেনি কোনও প্রমাণ লোপাটের। এমনকি কোনও কিছু চাপা দিতে তদন্তকে ভুল পথেও চালনা করা হয়নি। আর পুজোর পরে এল ভিড় ও আন্দোলন সামলে নায়ক হয়ে ওঠার তকমা। নজরে কলকাতা পুলিশ। আর জি কর কাণ্ডে মিছিল, মিটিং বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে রয়েছে শহর। তার উপর পুজোর সময় ধর্মতলায় জুনিয়র চিকিৎসকদের অনশন। পুজোয় শহর অশান্ত করে তুলতে চক্রান্তও হয়েছিল বিস্তর। মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টাও করাও হয়েছিল। কিন্তু সেই সব ঝামেলা চক্রান্ত রুখে দিতে কলকাতা পুলিশও আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। এখন পুজো(Durga Puja) মিটতে দেখা যাচ্ছে, দক্ষতার সঙ্গে সেই সব চ‌্যালেঞ্জ জয় করে চ‌্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছে পুলিশই।  

এবারে অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন পুজোর সময়ে অশান্ত হয়ে উঠতে পারে শহর কলকাতা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সব চক্রান্ত বিফল করে দিয়ে পুজোয় শহর কলকাতা শান্তিপূর্ণই ছিল। আর জি করের ঘটনার(R G Kar Incident) পর থেকেই একটা পক্ষ উৎসব বয়কটের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু মানুষ তাদের ডাকে সাড়া না দিয়ে উৎসবে ফিরে আসে। এবার কলকাতায় রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হয়েছিল মানুষের। গ্রামবাংলা থেকে শুরু করে বিদেশের মানুষজন ভিড় করেছিলেন কলকাতার দুর্গাপুজোতে। এমন ভিড় যে হবে তার একটা আন্দাজ করা গেলেও বাস্তবে কেমন পরিণতি নেবে তা ঠাওর করা যায়নি। সেখানে কলকাতা ট্র‌্যাফিক পুলিশ পরিকল্পনা করে বিপুল মানুষের ভিড়(Crowd) সামলে দিয়ে কার্যত হিরো বনে গিয়েছে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা দুর্গাপুজোর ভিড়কে কেন্দ্র করে ঘটেনি। বরং মানুষ সাহায্য চেয়ে পুলিশের কাছ থেকে পেয়েছেন। এবারে চতুর্থী থেকেই রাস্তায় নেমেছিল পুলিশ। মহাসপ্তমী থেকে মহানবমীর রাত পর্যন্ত শহরে জনপ্লাবন আছড়ে পড়ে। দর্শকদের লম্বা লাইন রাস্তায় চলে আসে।

কলকাতার ট্র্যাফিক পুলিশ দক্ষতার সঙ্গে পুজোর ভিড় ও যানজট সামলায়। জনসমুদ্র সামলাতে বেশ বেগও পেতে হয়েছিল কলকাতা পুলিশকে। কিন্তু যানজট হতে দেয়নি। অন্যদিকে লালবাজার(Lalbazaar) সূত্রে খবর, চতুর্থীতে দশ হাজার পুলিশ রাস্তায় ছিল। সপ্তমী থেকে এই সংখ‌্যা আরও বাড়ানো হয়। পুজোয় সময় পার্কিং নিয়ে একটা বড় সমস‌্যা দেখা যায়। পার্কিং ব্যবস্থা থেকে শুরু করে দিক নির্দেশ সবটাই ঠান্ডা মাথায় সামলেছে পুলিশ। এই এতকিছুর সঙ্গে আবার যোগ হয়েছিল নামী দুর্গাপুজোগুলি। বাগবাজার সর্বজনীন থেকে শুরু করে আহিরীটোলা হয়ে টালা বারোয়ারির পর দক্ষিণে মুদিয়ালি, শিবমন্দির, বাদামতলা আষাঢ় সংঘ, ৬৬ পল্লি, ত্রিধারা সম্মিলনী, দেশপ্রিয় পার্ক, চেতলা অগ্রণী, সুরুচি সংঘ, সমাজসেবী, বালিগঞ্জ কালচারাল এবং শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজোয় মারাত্মক ভিড় হয়েছিল। কার্যত সেখানে তিলধারণের জায়গা ছিল না। কলকাতা ট্র‌্যাফিক পুলিশ আগে থেকেই সমস্ত পরিকল্পনা করে রেখেছিল। কোথায় পার্কিং জোন করা হবে, কোথায় ব্যারিকেড করা হবে সেসব খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশকর্মীরা অত্যন্ত পরিশ্রম করেছেন দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00