Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ভোট বড় দায়, বামেদের মুখে ঝামা ঘষে মমতার লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাশে বৃন্দা

২৪’র ভোটের আবহে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাশে দাঁড়ালেন বাম নেত্রী তথা সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য বৃন্দা কারাত।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার(Bengal) মেয়েদের আর্থিক ভাবে ও সামাজিক ভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) চালু করেন ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’(Lakhir Bhandar) প্রকল্প যা বাংলাজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাংলার পাশাপাশি দেশের অনান্য অনেক রাজ্যই এখন লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অনুকরণ করে মেয়েদের জন্য এই ধরনের প্রকল্প চালু করেছে। বাংলায় এখন ২ কোটি ১৩ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন। এর জন্য রাজ্য সরকারের এখন প্রতি বছর খরচ হবে ২৬ হাজার কোটি টাকা। এই টাকার সিংহভাগই সরাদরি চলে আসছে উপভোক্তাদের হাত ধরে বাংলার খোলাবাজারে যা রাজ্যের আর্থিক পরিকাঠামোকে উন্নত করছে। কিন্তু এই প্রকল্প চালুর সময় থেকে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি বিশেষ করে বাম ও বিজেপি এর কড়া সমালোচনা করে গিয়েছে। অথচ এই ২৪’র ভোটের আবহে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাশে দাঁড়ালেন বাম নেত্রী তথা সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য(CPIM Politburo Member)  বৃন্দা কারাত(Brinda Karat), যা কার্যত বামেদের মুখে ঝামা ঘষে দেওয়ার সামিল।

এ রাজ্যের বাম নেতারা প্রথম থেকেই মমতার অন্ধ বিরোধী। ৩৪ বছরের রাজত্বপাট হারিয়েও সেই বিরোধিতায় কোনও পরিবর্তন আসেনি। এখনও প্রায় প্রতিটি পদক্ষেপ তাঁরা অন্ধ মমতা বিরোধয়াতার লাইনেই চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই মমতার সরকারের হাত ধরে রাজ্যে চালু হওয়া যেন কোনও রকমের প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করেন তাঁরা। তা সে জয় বাংলা হোক কী জয় জোহর, কন্যাশ্রী হোক কী রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী হোক কী খাদ্যসাথী। লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়েও তাঁদের সেই একই অবস্থান। বাম নেতাদের দাবি, এই প্রকল্প আদতে ঘুষ দিয়ে ভোট কেনার সামিল। এই প্রকল্পের পরিবর্তে রাজ্য সরকার এই টাকায় বাংলার বুকে শিল্প স্থাপনের কাজ করলে বা মেয়েদের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে তা বেশি কাজে দিত। এই প্রকল্প বাংলার মেয়েদের হাত পাততে ছাড়া আর কিছুই শেখাচ্ছে না। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব বামেদের এই দাবির সঙ্গে সহমত নয়। বাংলার আমজনতাও বামেদের এই মনোভাব ও দাবিকে বিন্দুমাত্র সমর্থন করেন না।বরঞ্চ ভোট বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পই বাংলার বুকে ভোট রাজনবীতির জয়-প্রাজয় নিশ্চিত করে দিচ্ছে ও দেবে।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে এবার তাই মমতার লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাশে কিছুটা বাধ্য হয়েই দাঁড়াতে বাধ্য হলেন বৃন্দা কারাত। ইনি সেই বৃন্দা যার স্বামী প্রকাশ কারাত সিপিআই(এম)’র হর্তাকর্তা বিধাতা হয়ে উঠেছিলেন একসময়ে। বৃন্দা এ রাজ্যের এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প মেয়েদের অধিকার। তিনি জানিয়েছেন, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আমাদের অধিকার। বেশিরভাগ মহিলারা যে কাজ করেন, সেটা বেতনহীন কাজ। মহিলাদের নামে জমি, এমন ঘটনা খুব কম। যদি কোনওদিন কোনও মহিলার স্বামী তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন… তাহলে তিনি কোথায় যাবেন? তাঁর কিছুই নেই। তাঁর যে এতদিনের বেতনহীন কাজ, তার ক্ষতিপূরণ কী আছে! সেই জন্য মহিলাদের স্বীকৃতি দেওয়া হয় সরকারের তরফে। এই টাকা কোথা থেকে আসছে? করের টাকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটের সঙ্গে এর কোনও যোগ আছে না কি! মহিলারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভোটও দেবেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাও নেবেন।‘

বৃন্দার এই বক্তব্যই এখন আলিমুদ্দিনের মুখ পোড়াচ্ছে। কেননা বৃন্দা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, মমতার লক্ষ্মীর ভান্ডারের সঙ্গে ভোট রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ভোট পাওয়ার জন্য এই প্রকল্প চালু করা হয়নি। বাংলার মেয়েদের জন্য এই প্রকল্প চালু করা খুবই দরকার ও প্রয়োজনের ছিল, যা উপলব্ধি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্প চালু করেন। এমনকি তার সঙ্গে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, বার্ধক্য ভাতা, জয় জোহর, জয় বাংলাকেও জুড়ে দিয়েছেন। আর এই কথাটাই তো এতদিন ধরে তৃণমূল নেতৃত্ব সর্বস্তরে বলে এসেছেন। এ রাজ্যের বাম নেতারা এতদিন এই সারসত্য প্রকাশ্যে স্বীকার করতে পারেননি। প্রকাশ ঘরণী সেটা করেছেন। বৃন্দা কার্যত মমতার কৃতিত্ব ও দুরদর্শিতাকেই কুর্ণিশ জানিয়েছেন নিজের অজান্তে বা সজ্ঞানে। বাকি থাকল রাম বাহিনী। তাঁদেরও আজ না হোক কাল স্বীকার করতে হবে মমতা ঠিক কাজই করেছেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00