Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নারী নির্যাতনে অভিযুক্ত আর শাস্তিপ্রাপ্তরাই আরজি কর আন্দোলনে সিপিএমের মুখ

রাস্তায় নেমে চলছে আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ মিছিল-মিটিং। আর সেই সব কর্মকাণ্ডের মুখ হয়ে উঠছেন সিপিআই(এম)’র তথাকথিত কিছু বহিষ্কৃত নেতারা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হায় হায় হায়। মুখ যে পুড়ে গেল লাল পার্টির। শেষে কিনা তীরে এসে তরী ডুবল! কলকাতা সহ শহরতলি, আসানসোল-দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি যত্রতত্র রাস্তায় নেমে চলছে আর জি কর কাণ্ডের(R G Kar Incident) প্রতিবাদ মিছিল। প্রতিটি মিছিল থেকে বাঁধাধরা গতেই দেওয়া হচ্ছে শ্লোগান। ‘We Want Justice’ আর ‘দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। কিন্তু দেখে যাচ্ছে সেই সব প্রতিবাদ আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠছেন বাংলার(Bengal) বুকে ৩৪ বছর ধরে শাসক করে যাওয়া সিপিআই(এম)’(CPIM)র তথাকথিত কিছু বহিষ্কৃত নেতারা। যারা দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন নারী নির্যাতনে অভিযুক্ত হয়ে বা দল যাদের কোনও অপকর্ম কিংবা দলবিরোধী কাজের জন্য শাস্তি দিয়েছে সেই সব সিপিআই(এম) নেতানেত্রীরাই এখন এই সব প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠন করছেন। সেই সব মিছিলের মুখ হয়ে উঠছেন। আর সেটা দেখে নাকি দলের নীচুতলায় রীতিমত ক্ষোভের সঞ্চার ঘটেছে। তাঁদের সব থেকে বড় ক্ষোভ এই নিয়ে আলিমুদ্দিন কিছু বলছে না বা করছে না দেখে।

আরও পড়ুন, ‘অভিনন্দন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’, জয়কে ঘিরে মমতার শাহি খোঁচা

রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই, সিপিআই(এম)’র প্রথম সারির নেতারাও একান্ত আলোচনায় মেনে নিচ্ছেন, স্থানীয় স্তরে নানা সমীকরণের কারণে দল থেকে বহিষ্কৃত নেতানেত্রীরা ওই সব প্রতিবাদ আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠছেন। যা দলের জন্য খুব একটা ভাল হচ্ছে না। আবার এদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। কেন? কেননা দেখা যাচ্ছে, সব ক্ষেত্রেই জেলা নেতৃত্বের কেউ না কেউ ‘প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয়’ দিয়ে চলেছেন এই সব কর্মকাণ্ডের জন্য। যার ফলে এই ঘটনা ঘটছে এবং তা ঠেকানো যাচ্ছে না। কোথাও দেখা যাচ্ছে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটুর কর্মসূচিতে মাইক ধরছেন দলের যুবনেত্রীকে প্রকাশ্য রাস্তায় পেটানো নেতা। আবার কোথাও আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে সিপিএমের ছাত্র-যুব-মহিলাদের কর্মসূচিতে শিক্ষকনেতা হিসাবে বক্তৃতা করছেন ‘নারী নির্যাতনে অভিযুক্ত’। এই সব ক্ষেত্রেই অভিযোগ জমা পড়েছিল সিপিএমের কমিটিতে। যাঁরা অভিযোগকারি বা অভিযোগকারিনী তাঁরাও বিভিন্ন ভাবে দলের সঙ্গেই যুক্ত। সেই সব অভিযোগের ভিত্তিতে দল অভিযুক্ত নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করেছে। কিন্তু এখন, সেই সব পদক্ষেপ বানের জলে ভেসে গিয়েছে।

আরও পড়ুন, মোটর ট্রেনিং স্কুলগুলির মালিকানা ও ঠিকানা বদলের সবুজ সঙ্কেত

যিনি দলীয় স্তরে শাস্তি পেয়েছেন বা দল যার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া থেকে সাসপেন্ড করেছে সেই সব নেতানেত্রীরাই এখন আর জি কর কাণ্ডে প্রতিবাদের নামে মিছিল-মিটিং সংগঠন করছেন। নিজেরা এলাকার মুখ হয়ে উঠছেন। তা আলিমুদ্দিনের কী বক্তব্য? সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা কলকাতার জেলা সম্পাদক কল্লোল মজুমদারের দাবি, ‘প্রতিবাদ তো সর্বসাধারণের জন্য। সেখানে তো যে কেউই আসতে পারেন। যদি নির্দিষ্ট করে আমাদের কাছে বিষয়টি আসে, তা হলে আমরা নিশ্চয়ই দেখব।’ যদিও দলের অধিকাংশ মহিলা নেত্রীর দাবি, এগুলো সবই ছেলেভোলানো কথা। যিনি নারীনিগ্রহে শাস্তিপ্রাপ্ত, তাঁকে নেতৃত্বই প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এতে জেলা কমিটিরও সরাসরি মদত রয়েছে। দলের এখন ভোট না থাকলেও দলের অনেকের নানা কমিটিতে থাকার মোহ রয়েছে। সেই সুবাদেই স্থানীয় স্তরে বিভিন্ন সমীকরণে এই সব ঘটনা ঘটছে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00