Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রাজ্যের কারিগরী শিক্ষাকেন্দ্রে এবার মেয়েদের জন্য ২০ শতাংশ সংরক্ষণ

মমতার সরকারের নয়া নীতি, রাজ্যের সব পলিটেকনিক, ITI, ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে চালু হচ্ছে মেয়েদের জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। বৈপ্লবিক বললেও কম বলা হবে। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে বাংলার(Bengal) কারিগরী শিক্ষাকেন্দ্রগুলিতে(Technical Education Institutes) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার চালু করে দিচ্ছে মেয়েদের জন্য সংরক্ষণ(Reservation for Girls)। মমতার সরকারের নয়া নীতি, রাজ্যের সব পলিটেকনিক, ITI, ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে চালু হচ্ছে জেলাভিত্তিক এবং মহিলাদের জন্য বিশেষ সংরক্ষণ ব্যবস্থা। রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা দফতর রাজ্যের সব পলিটেকনিক(Polytechnic Colleges), ITI, ও Vocational Training Centre বা VTC-গুলিতে ভর্তি সংক্রান্ত নতুন নীতির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং বোর্ডের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে এখন তিন শ্রেণির কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়। নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি হবে। মেধা হবে একমাত্র বিবেচ্য বিষয়। নম্বর ‘টাই’ হলে কী হবে সেটাও বলা রয়েছে নীতিতে। সে ক্ষেত্রে অঙ্ক ও বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরই বিবেচ্য। তবে এর থেকেও বেশি নজরকাড়া ও চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে মেয়েদের জন্য আসন সংরক্ষণ। আর সেটাও ২০ শতাংশ। অর্থাৎ মোট আসনের এক পঞ্চমাংশ।

জানা গিয়েছে, মেয়েদের জন্য এই সংরক্ষণ ব্যবস্থা রাজ্যজুড়ে সব পলিটেকনিক, ITI, ও Vocational Training Centre-গুলির লাগু হলেও কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং নদিয়ার কল্যাণী, হুগলির চুঁচুড়া, চন্দননগর ও শ্রীরামপুর মহকুমার ক্ষেত্রে জেলাভিত্তিক সংরক্ষণ হচ্ছে না। অন্য জেলাগুলির ক্ষেত্রে সেখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৫০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া সব জায়গাতেই ছাত্রীদের জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে দ্বিতীয় কাউন্সেলিয়ের পর ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত আসনগুলি পূরণ না হলে সেগুলিকে পরিণত করা হবে সাধারণ আসনে। পাহাড়ের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের ভর্তি করার কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জিটিএ এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। পাহাড়ের প্রতিষ্ঠানগুলিতে অবশ্য অন্য এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির সুযোগও থাকছে।   

পলিটেকনিকে এখন Diploma Engineering Course করার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে মাধ্যমিক পাশ। ITI-গুলিতে বিভিন্ন ট্রেডে কারিগরি শিক্ষার কোর্সের জন্য অষ্টম শ্রেণি পাশের যোগ্যতা লাগে। VTC-গুলিতে বৃত্তিমূলক শাখায় উচ্চমাধ্যমিক পড়তে গেলে মাধ্যমিক পাশ আবশ্যিক। তবে এখানে অষ্টম শ্রেণি পাশ করা থাকলে বেশ কিছু বিষয়ে স্বল্প সময়ের কারিগরি প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়। অনেকের অবশ্য বক্তব্য, VTC-গুলিতের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও সেখানে স্থায়ী শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করলে পড়াশোনার মান উন্নত হবে। তবে এখন এখানকার কারিগরি কোর্স শেষের পর বহু ছাত্রের কর্মসংস্থান হয়। জেলাভিত্তিক Job Fair’র মাধ্যমে ৩ স্তরের কারিগরি কোর্সের ছাত্রছাত্রীদের বড় অংশও চাকরি পান বলে কারিগরি শিক্ষা দফতর জানিয়েছে। নতুন নীতিতে ভর্তির কাউন্সেলিং ও নথি যাচাই করার প্রক্রিয়া কী ভাবে হবে সেটাও জানানো হয়েছে। নথি যাচাইয়ের জন্য আঞ্চলিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট করা হবে। এর ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের দূরে যেতে হবে না। পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে ভর্তির জন্য আবেদন ও ফি জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও হবে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00