নিজস্ব প্রতিনিধি,মালদা: মালদায় তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় ৬ জনকে খুঁজছে পুলিশ। ইতিমধ্যে খুলেন ঘটনার ১০জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে এদিনে এটাই ঘটনায় আহত এবং নিহতদের শরীরে গুলির ক্ষতচিহ্ন পাওয়া যায়নি। তৃণমূল কাউন্সিলর বাংলা সরকারের খুনের ১২ দিনের মাথায় আবার শুট আউট মালদায়(Malda Shootout)। গুরুতর আহত কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের নওদা যদুপুর তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বকুল শেখ। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসা শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ।
অন্যদিকে,ঘটনায় আহত আরো এক তৃণমূল কর্মী এসারুদ্দিন শেখ। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের দুজনকে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে(Malda Hospital) নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে কালিয়া চকের নয়া বস্তি এলাকায় ড্রেন ও রাস্তার উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন অঞ্চল সভাপতি বকুল শেখ। অভিযোগ ঠিক সেই সময় তৃণমূলেরই আরো এক গোষ্ঠী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা করে। প্রকাশ্যে খোলা রাস্তার উপর ইট দিয়ে বারবার আঘাত করা হয় তিন তৃণমূল কর্মীকে। ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ দাবি করেছে আহত ও নিহতদের শরীরে গুলির ক্ষত চিহ্ন নেই। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবী প্রথমে গুলি করা হয়। তারপর পাথর দিয়ে বারবার আঘাত করা হয় তিনজনের মাথায়। তিনজনই প্রকাশ্য রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এই খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে পাবনা সরকারের চৈতালি সরকার বলেন আশা করা যায় পুলিশ খুনিদের ধরতে পারবে। মালদায় ক্রমাগত এই ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বাবলা সরকার(Babla Sarkar) খুন হওয়ার পর মালদা শহরের মহিলারা নিরাপত্তা চেয়ে মৌন মিছিল করে। রবিবার বাবলা সরকারের স্মরণ সভায় বিরোধী সহ শাসক দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত হয়ে অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন। সেই স্মরণ সভার ২৪ ঘন্টার পরেই ফেড মালদায় অসহিষ্ণুতার চিত্র ফুটে উঠল। বারংবার মালদায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা আক্রমণের শিকার কেন এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন,টাকার ভাগাভাগির কারণে হচ্ছে ।যে কারণে বাবলা সরকার অর্থাৎ দুলাল বাবু খুন হলেন সে কারণেই মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘটেছে। গত বছর যে কটি রাজনৈতিক খুন হয়েছে, তার বেশিরভাগ তৃণমূলের হাতে তৃণমূল নেতা- কর্মী খুন হয়েছে টাকা ভাগাভাগির জন্য।