Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ভোটপ্রচারে নয় বড় বড় জনসভা, পরিবর্তে বাড়ি বাড়ি প্রচার, নয়া রণকৌশল তৃণমূলের

রাজ্যের ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন রয়েছে। জোড়াফুল শিবির ৬টি আসনই দখলের লক্ষ্য নিয়েছে। সেই জন্য ভোটের রণকৌশলেও পরিবর্তন আনছে তৃণমূল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ১৩ নভেম্বর রাজ্যের(Bengal) ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন(Bye Election in 6 Assembly Seats) রয়েছে। সেদিন ওই ৬ বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ওই ৬ কেন্দ্র হল উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার সিতাই, আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট, দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার তালড্যাংরা, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটি ও হাড়োয়া। এই ৬ কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র মাদারিহাট কেন্দ্রটি একুশের ভোটে জিতেছিল বিজেপি। বাকি ৫ কেন্দ্রেই অবশ্য জয়ী হয়েছিল তৃণমূল(TMC)। এখন অবশ্য জোড়াফুল শিবির ৬টি আসনই দখলের লক্ষ্য নিয়েছে। সেই জন্য ভোটের রণকৌশলেও(Election Fighting Strategy) পরিবর্তন আনছে তৃণমূল।

আরও পড়ুন, ‘শাহ রাজনৈতিক পর্যটক, একটা করে বছর উনি পিছিয়ে যাচ্ছেন’, কটাক্ষ কুণালের

ঠিক করা হয়েছে এই ৬ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রচারে বড় জনসভার বদলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নেতাকর্মীরা ঘরোয়া বৈঠক করবেন ভোটারদের সঙ্গে। ঘরোয়া বৈঠকের মাধ্যমে এলাকার মানুষের সমস্যার কথা জানতে। সেই সমস্যা জেনে প্রার্থীকেও সেই প্রসঙ্গে অবগত করতে হবে। নির্বাচনে জয় পেলে প্রার্থী সেই সব সমস্যার সমাধান করবেন বলেও ওই ঘরোয়া বৈঠকগুলিতে আশ্বাস দিতে বলা হয়েছে। ঘটনা হচ্ছে, ৬ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল ছাড়াও বাকি সব দল তাঁদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে প্রচারও শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু উৎসবের মরসুম(Festive Monsoon) চলায় সে ভাবে ভোটের প্রচারে সাড়া পাচ্ছেন না বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। শারদোৎসব চলে গেলেও রাজ্যে উৎসবের রেশ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। আগামী ৩১ অক্টোবর রাজ্যে কালীপুজো ও দীপাবলি। তার কিছু দিন পরেই ছট পুজো। এর পর রয়েছে জগদ্ধাত্রী পুজো এবং রাসপূর্ণিমা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসবগুলি আয়োজিত হয়।

আরও পড়ুন, অনুপ্রবেশ নিয়ে শাহি মন্তব্যে শাহের ব্যর্থতাই প্রকট, মুখ লুকাচ্ছে বিজেপি

তাই এমন উৎসবের আবহে উপনির্বাচনে আমজনতা তো বটেই, তৃণমূল কর্মী মহলেও খানিকটা গা-ছাড়া ভাব লক্ষ করেছেন জেলা স্তরের নেতারা। এমন পরিস্থিতি দেখেই তৃণমূল ঠিক করেছে, ভোটপ্রচারে বড় জনসভার বদলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘরোয়া বৈঠকে(Door-to-Door Campaigning) জোর দিতে হবে। এই মর্মে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে ওই ৬ বিধানসভা উপনির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নেতাদের সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া, জোড়াফুল শিবিরের একাংশ মনে করছেন, ৬টি আসনের মধ্যে সবকটিই তাঁদের দখলে আসবে। তাই প্রচার নিয়ে খুব বেশি আড়ম্বর অনর্থক না দেখানোই ভাল। তবে তৃণমূলের তরফে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, প্রয়োজন হলে ওই ৬ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচারের জন্য রাজ্যের মন্ত্রী ও সাংসদদের পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে এই উপনির্বাচনে যাতে দলের তরফে কোনও রকম অন্তর্ঘাত না হয়, সেই কারণে সেই উপনির্বাচনে নজরদারির ক্ষেত্রেও বিশেষ পর্যবেক্ষক রাখা হচ্ছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00