নিজস্ব প্রতিনিধি: রাত পেরোলেই মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে শুরু হতে চলেছে মাহে রমজান মাস। আর এই রমজান মাসেই রোজাদারদের জন্য ফল একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে । আর সেই ফলের দাম দ্বিগুণ। যদিও খুচরো ফল(Fruits) বিক্রেতারা জানান যে আমরা ছোটখাটো ফল বিক্রেতা ।মহাজনের কাছে ফল কিনে নিয়ে আসি। মহাজনের কাছে যে টাকায় নিয়ে আসি তা থেকে স্বল্প লাভে মধ্য দিয়ে সেই মাল বিক্রি করে থাকি। এই ফল দাম বাড়ার পেছনে আমাদের কোনো হাত নেই। যে ফল এক সপ্তাহ আগে কিনে নিয়ে এসেছি তার দাম শনিবার থেকে দ্বিগুণ হয়েছে।
এই দাম বাড়ার পেছনেও রোজাদারদের পাশাপাশি আমাদের বিক্রি আগের থেকে কম হবে বলে আসা করছি , এমনটাই দাবি ফল বিক্রেতাদের। ফল ব্যবসায়ীরা(Fruits Merchants) জানান কলা রীতিমতো অনেক স্টোর করা হয়েছে। কিন্তু সেই কলা আনতে গেলে মহাজন বলছেন কলার এখন স্টক নেই। সব ফলই যদি এরকম স্টোর করে নেওয়ার পর সময় মতো সে ফল বাজারে না ছাড়লে সব ফলের দাম দ্বিগুণ হওয়াটাই স্বাভাবিক। ফলের দাম বাড়লে ক্রেতারদের পাশাপাশি ফল বিক্রেতাদের ও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
এই নিয়ে ফল কিনতে আসা সাধারণ মানুষজনের মন্তব্য, ফলের দাম যদি এইভাবে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে গরিব মানুষরা সারাদিন রোজা শেষে ফলাহার করতে পারবেন না। আপেলের দাম কেজিপ্রতি, ২০০ টাকা কিলোতে পৌঁছেছে। কলা ৮০ টাকা ডজন প্রতি পৌঁছেছে। আঙ্গুর ১৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা তে বিকোচ্ছে। ফল ব্যবসায়ীদের গরিব মানুষের কথা চিন্তা ভাবনা করা উচিত। প্রশাসনেরও এই ফলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতি নজর দেওয়া উচিত। এমনটাই দাবি ফল কিনতে আসা সংখ্যালঘু মানুষজনের।