Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বৃদ্ধ অসুস্থ বাবাকে হাতে পায়ে দড়ি বেঁধে পরিত্যক্ত আবাসনে ফেলে রাখার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: বৃদ্ধ অসুস্থ বাবাকে হাতে পায়ে দড়ি বেঁধে পরিত্যক্ত আবাসনে ফেলে রাখার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে ।এই ঘটনায় চাঞ্চল্য দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীতে ।তিন ছেলে একজন ইস্পাত কারখানার কর্মী, বাকি দুজন বেসরকারি সংস্থার কর্মী। বৃদ্ধ অসুস্থ বাবা কে অনাদরে রেখেছে গুণধর ছেলেরা। দুর্গাপুর(Durgapur) ইস্পাত নগরীর বিজন টাউনশিপের জয়দেব এভিনিউ এলাকায় শুক্রবার সকালে নগর নিগমের স্বাস্থ্য কর্মীরা ডেঙ্গি সার্ভে করতে গিয়ে এই ঘটনা দেখেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রীতিমতো অসুস্থ ওই ব্যক্তিকে পলিথিনের মধ্যে পরিতক্ত আবাসনে ভাঙা খাটে রাখা হয়েছে । ঘর জুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

জানা গেছে, বৃদ্ধের নাম মাগা রাম ঘোষ। তিনি দুর্গাপুর মিশ্র ইস্পাত কারখানার কর্মী ছিলেন । বাবাকে এভাবে ফেলে রেখে তিন ছেলে বাস করে শহরের অন্য জায়গায় । অসুস্থ বাবার জায়গা হয়নি কারো বাড়িতে । খবর ছড়িয়ে পড়তেই নিন্দার ঝড় দুর্গাপুরে । খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর মনি দাশগুপ্ত আসেন। সমস্ত বিষয়ে পাড়া পড়শীর কাছে অবগত হয়ে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়, তার ছেলে দয়াময় ঘোষের(Dayamay Ghosh) আপত্তি সত্ত্বেও । বাবার এরকম হাল এর জন্য রীতিমতো ধমক ও অপমান করেন কাউন্সিলর ছেলে দয়াময় ঘোষকে ।

দয়াময় ঘোষ বলেন, বাবাকে কিছুদিন আগেই ভর্তি করেছিলাম ইস্পাত হাসপাতালে ।তারপরে বাড়ি নিয়ে এসেছিলাম। এখানে আমি প্রতিদিনই এসে দেখাশোনা করে যাই। কিন্তু যদি খাট থেকে পড়ে যায় সেজন্য হাত-পা বেঁধে রেখেছিলাম । যদিও তার এই কথা শুনতে চাইনি কেউই। এরা কালো মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এই ঘটনায় আবারো অমানবিকতার ছবি দুর্গাপুর শহরে । বাবাকে অবহেলা করার জন্য সকলেই শাস্তির দাবী জানিয়েছেন ছেলেদের বিরুদ্ধে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00