Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ডোমজুড়ের ফুলটুসি বেগম ছিল প্রভাবশালী, এলাকার ২৫ জন যুবকের বিরুদ্ধে করেন মিথ্যা মামলা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ডোমজুড়: উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সোদপুরের তরুণীকে হাওড়ার ডোমজুড়ে আটকে রেখে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে শুরু হয়েছে তোলপাড়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত আরিয়ান খান(Arian Khan) ও তার মা শ্বেতা খান পলাতক। ডোমজুড়ের(Domjur) যে ফ্ল্যাটে মা ও ছেলে ভাড়া থাকতো সেখানকার প্রতিবেশীরা জানিয়েছে পুলিশকে শ্বেতা ওরফে ফুলটুসি বেগম অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিল। অনেক দূর পর্যন্ত তার হাত রয়েছে। নানা ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত মা ও ছেলে বলে দাবি এলাকার লোকজনদের। স্থানীয় মানুষজন কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন ফুলটুসি বেগম(Fultusi Begam)। থানায় মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করতেন এলাকার বাসিন্দাদের দাবি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকলেও দীর্ঘদিন ফ্ল্যাটের ভাড়া তারা দেয় নি।

এই ঘটনার পর থেকে মা ও ছেলে ফ্ল্যাটে তালা বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছে। অভিযোগ তরুণীকে এই ফ্ল্যাটে এনে ঘরে আটকে রেখেছিল। ওই ফ্ল্যাটের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভির একাধিক ক্যামেরা রয়েছে। তাই ঘরে বসে ওই তরুণীর গতি বৃদ্ধির ওপর নজর রাখত ফুলটুসি বেগম। এই মা ও ছেলের ভয়ে পাড়ার লোকজন সব সময় ত্রস্ত থাকতো বলে এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের ভয় তারা পুলিশকে এইসব ঘটনা জানা নয় হয়তো পরবর্তীকালে ফিরে এসে মা ও ছেলে তাদের নামে মিথ্যে মামলা দিতে পারে। বাড়ির সামনে একাধিক দামি গাড়ি লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো বলেও এলাকার বাসিন্দারা পুলিশকে জানিয়েছে। হাওড়ার বাঁকড়ার(Bakra) ওই পাড়ার কমপক্ষে ২৫ টি ছেলের নামে মিথ্যে মামলা করেছিল ফুলটুসি বেগম। থানা ও পুলিশে ওই মহিলার এত প্রভাব কি করেছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে স্থানীয়রা। ভোটার তালিকায় ফুলটুসি বেগমের নাম উল্লেখ রয়েছে, মহসিনা বেগম বলে। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ফুলটুসি বেগমের যোগাযোগ ছিল বলেও জানা যাচ্ছে। সোদপুরের ২৪ বছরের তরুণীকে ক্যাটারিং এ চাকরি দেবার নাম করে নিয়ে এসে ফ্ল্যাটে আটকে রেখে তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালায় এই ফুলটুসি বেগম এবং তার ছেলে আরিয়ান। গত ৬ জুন ডোমজুড়ের ওই ফ্ল্যাট থেকে সিসিটিভি(CCTV) বন্ধ করে দিয়ে পালিয়ে যান তরুণী।

তার ওপর এমন অত্যাচার করা হয়েছিল সে বাড়ি ফেরার পর বাড়ির লোক তাকে চিনতে পারেনি। সেই তরুণী এখন হাসপাতালে ভর্তি। খড়দহ থানায়(Kardaha P.S.) অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনাস্থল যেহেতু হাওড়া ডোমজুড় এলাকা, তাই সেখানকার পুলিশকে ব্যারাকপুর কমিশনারের তরফ থেকে অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে নির্যাতিতা ওই তরুণীর বিয়ে হয়েছিল স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিন বছরের সন্তান নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে এসেছিলেন। বাবা দিনমজুর মা আর কাজ করেন তাই সে কাজের খোঁজে আরিয়ানের সঙ্গে পরিচয় হলে তার ফ্লাটে যায়। অথচ এই নির্যাতিতা তরুণী দু’মাস আগে বাড়িতে ফোন করে বলেছিল সে ভালো আছে।

বাড়িতে ফিরে নির্যাতিতা জানায় তাকে ওই কথা বলতে বাধ্য করেছিল ফুলটুসি বেগম। ওই নির্যাতিতা তরুণীকে ফুলটুসি বেগম প্রথমে বার ডান্সার হিসেবে এবং পরে দেহ ব্যবসায় নামাতে চেয়েছিল। সে রাজি না হওয়ায় তার ওপরে শুরু করে শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে অত্যাচার।তবে হাওড়া পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে বুঝতে পারছে এই ফুলটুসি বেগম এবং তার ছেলে আরিয়ানের শিকড় বহুদূর পর্যন্ত রয়েছে। মা ও ছেলে ধরা পড়লে এই শিকড়ের শেষ কোথায় তার সন্ধান পাবে পুলিশ।

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

মালদা টাউন স্টেশন থেকে ২ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

তামিলনাডুতে পর্যটক বোঝাই গাড়ি পড়ল খাদে, নিহত কমপক্ষে ৯ জন

তৃণমূলের হয়ে কাজের অভিযোগ! পাঁচ বিএলওকে সাসপেন্ড ও এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের

বুথে যেতে অপরাগ! বাড়িতেই ভোট দিলেন শতায়ুরা, রয়েছে আবেদন বাতিলের অভিযোগও

‘হরমুজে পুঁতে রাখা মাইন সরাতে যৌথভাবে কাজ করছে আমেরিকা-ইরান’, দাবি ট্রাম্পের

0:00