নিজস্ব প্রতিনিধি,দৌলতপুর: দক্ষিণ দিনাজপুরের দৌলতপুরে ধর্ষণের প্রতিবাদে সরকারি বাসে আগুন। উত্তেজনা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে। উল্লেখ্য, বংশীহারির ঘটনায় জেলা জুড়ে আদিবাসী সংগঠনের ডাকা বনধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সোমবার সকালে জেলার বংশীহারী থানার(Banshihari P.S.) অন্তর্গত দৌলতপুর এলাকায় সরকারি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বনধ সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার জেরে আতঙ্কে জেলা জুড়ে বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়।
বনধ প্রত্যাহারের পরেও সরকারী বাসে জ্বললো আগুন। চললো বেপরোয়া ভাঙচুরও। সোমবার সকালে এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার দৌলতপুরে(Daulatpur)। ঘটনার পরেই দমকলের একটি ইঞ্জিন এলাকায় গিয়ে স্বাভাবিক করে পরিস্থিতি। ছুটে আসে বংশীহারী থানার বিরাট পুলিশ বাহিনীও।জানা গিয়েছে, বংশীহারীতে এক আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টার অভিযোগে সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দেয় আদিবাসী সমাজ। কিন্তু ঠিক তার আগের দিন অর্থাৎ রবিবার আদিবাসী ফোরামের তরফে সোমবারের বনধ স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করা হয়।
শুধু তাই নয়, পুলিশের উপর তাদের সংগঠনের ভরসা রয়েছে, সে কথাও জানানো হয় তাদের তরফে। আর এরপরে সোমবার সকালে গঙ্গারামপুর(Gangarampur) থেকে কালনাগামী একটি সরকারি বাস দৌলতপুরে পৌঁছাতেই বেশ কিছু ক্ষিপ্ত আদিবাসী মানুষজন সরকারি বাসটি আটকে বেপরোয়া ভাঙচুর চালিয়ে বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় বংশীহারী থানার পুলিশ। অন্যদিকে, দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এই ঘটনা ঘিরে তুমুল উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকাজুড়ে ।