Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

শিলিগুড়ি হারিয়েও আশাবাদী বামেরা! প্রশ্নের মুখে কংগ্রেস

রাজ্যের বাম নেতারা চার পুরনিগমের ফলাফলকে বিপর্যয় হিসাবে দেখছেন না। বরঞ্চ তাঁরা এদিনের ফলাফলকে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়ানো হিসাবে দেখছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস শিবিরে প্রশ্ন এখন দলের অস্তিত্ব রক্ষার।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২৪ ঘন্টা আগেও একটা সম্ভাবনার ছবি ফুটে উঠেছিল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছিলেন শিলিগুড়িতে বামেদের সঙ্গে তাঁদের জোট বা আসন ভাগাভাগি না হলেও, প্রয়োজন হলে তাঁরা বোর্ড গড়তে বামেদের সমর্থন করবেন। বস্তুত এই বার্তা ছিল মূলত অশোক ভট্টাচার্যের প্রতি। মানে বহু চর্চিত ‘শিলিগুড়ি মডেল’-এর ওপরে তখনও আস্থাঅছিল বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের। কিন্তু এদিন শিলিগুড়িতে যে ফলাফল উঠে এসেছে তা কার্যত বলে দিচ্ছে আমজনতাই সেখানে ‘শিলিগুড়ি মডেল’-কে ছুঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছেন। হেরেছেন খোদ অশোক ভট্টাচার্য নিজেই, তাও আবার তাঁর বহু পুরাতন পছন্দের ওয়ার্ডেই। তিনি মেনেও নিচ্ছেন এই হার কার্যত তাঁর কাছে ও দলের কাছে ‘বিপর্যয়’। তবে রাজ্যের বাম নেতারা চার পুরনিগমের ফলাফলকে বিপর্যয় হিসাবে দেখছেন না। বরঞ্চ তাঁরা এদিনের ফলাফলকে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়ানো হিসাবে দেখছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস শিবিরে প্রশ্ন এখন দলের অস্তিত্ব রক্ষার।

যে শিলিগুড়ি ছিল বামদুর্গ সেখানে এবারে তাঁদের প্রাপ্তি মাত্র ৪টি আসন। আসানসোলে প্রাপ্তি মাত্র ২টি আসন। চন্দননগরে প্রাপ্তি মাত্র ১টি আসন আর বিধাননগরে ঝুলি পুরো খালি। তবে মন্দের ভাগ্য চন্দননগর ও বিধাননগরে বামেরা ভোট শতাংশের বিচারে বিজেপির থেকে এগিয়ে রয়েছে। শিলিগুড়ি ও আসানসোলেও বিজেপির থেকে কম আসনে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও সেটাকেই হারানো মাটি ফিরে পাওয়া বলে দেখছেন বাম নেতারা। তাঁদের দাবি, আসন সংখ্যার বিচারে বিজেপি তাঁদের থেকে বেশি আসন পেলেও দ্বিতীয় স্থান দখলের নিরিখে তাঁরা বিজেপিকে পিছনে ফেলেছেন। তাঁদের যে ভোট চলে গিয়েছিল রামের ঝুলিতে তাও আবার ফিরে আসছে তাঁদের ঘরে। মানুষ বিজেপির দিক থেকে মুখ ঘোরাতে শুরু করে দিয়েছেন অনেক আগেই। এবার তাঁরা একে একে ফের বাম শিবিরেই ফিরে আসছেন। তবে বাম নেতারা এদিন আবারও দাবি করেছেন বাংলায় আগামী দিনে পায়ের নীচের মাটি শক্ত করতে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতার মধ্যে দিয়েই চলতে হবে। নির্বাচনে করতে হবে জোটও।

অন্যদিকে কংগ্রেস ভাবছে তাঁরা এবার কোন পথে হাঁটা দেবে। কেননা ফলাফল খুবই খারাপ। শিলিগুড়ি ও বিধাননগরে ১টি করে আসনে জয় আর আসানসোলে ৩টি আসনে জয়। চন্দননগর ফিরিয়েছে খালি হাতেই। যারা জিতেছেন তাঁরা যে দলের জনপ্রিয়তার নিরিখে জিতেছেন এমন কথা মোটেও বলা যায় না। বরঞ্চ সেই জয় অনেক বেশি প্রার্থীদের স্থানীয় এলাকায় নিজস্ব ভাবমূর্তির জয়, সেটা হলফ করে মানছেন প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারাই। আর এখানেই প্রশ্ন, এবার তাহলে কোন পথে! আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের শতাধিক পুরসভায় নির্বাচন। বামেদের সঙ্গে জোট গড়ে লড়লে যে ফলাফল কিছুটা হলেও ভাল হবে সেটা মানছেন দলের নেতারাই। দলের প্রদেশ নেতৃত্বও সেটাও চাইছেন। কিন্তু বেঁকে বসে আছেন বাম নেতারা। এবার এই বাম নেতাদের বুঝিয়ে সুঝিয়ে ফের জোটের রাস্তায় নিয়ে আসা ছাড়া যে দুই দলের অস্তিত্ব বজায় থাকবে না বাংলার রাজনীতিতে সেটা এবার বেশ ভালই বুঝছেন দুই দলের নেতারাই।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00