Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আবাসের সমীক্ষায় থাকবেন না সিভিক, স্কুলশিক্ষক, চুক্তিভিত্তিক কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি-আশা কর্মীরাও

আবাসের সমীক্ষায় কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার, স্কুল শিক্ষক, চুক্তিভিত্তিক কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং আশা কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১১ লক্ষ বাড়ি হবে তৈরি। সেই সংখ্যা বাড়তেও পারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই ওই ১১ লক্ষ বাড়ির জন্য প্রথম দফার টাকা দিয়ে দেওয়া হবে। সেই টাকার পরিমাণ ৬০ হাজার। ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে এই টাকা দেওয়া সম্পন্ন করা হবে। পরে আরও দুই দফায় দেওয়া হবে যথাক্রমে ৪০ ও ২০ হাজার টাকা। সেই টাকা দেওয়ার আগে রাজ্যজুড়ে হবে আবাসের সমীক্ষা(Awas Survey)। ২১ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি(Door to Door) গিয়ে এই সমীক্ষা করা হবে। কিন্তু সেই সমীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবে আর কারা পারবে না সেই নিয়ে একটি নির্দেশিকা(Guideline) প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। সেখানেই স্পষ্ট ভাবে বলে দেওয়া হয়েছে, ওই সমীক্ষায় কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার, কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং আশা কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন না। এমনকি সমীক্ষক দলে রাখা হচ্ছে না কোনও স্কুলশিক্ষককেও। প্রতিটি সমীক্ষক দলে থাকবেন রাজ্য সরকারের একজন করে আধিকারিক এবং ২জন করে স্থায়ী কর্মী।  

আরও পড়ুন, সুপ্রিম নির্দেশ অমান্য করে সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতিতে জুনিয়র চিকিৎসকেরা

জানা গিয়েছে, কেন্দ্র সরকারের যে ১১ লক্ষ মানুষের বাড়ি করে দেওয়ার কথা ছিল, তার জন্য যে তালিকা প্রস্তুত রাখা হয়েছিল, প্রাথমিক ভাবে সেই তালিকা ধরেই সমীক্ষার কাজ শুরু করা হবে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে বা বাড়ি না থাকার বিশেষ আবেদনগুলি পরবর্তী ক্ষেত্রে খতিয়ে দেখা হবে। যারা ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তে ফোন করে বাড়ির জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন, তাঁদের আবেদনও এই সমীক্ষাতে খতিয়ে দেখা হবে। পুরো সমীক্ষার কাজ হবে একটি অ্যাপের মাধ্যমে। সমীক্ষার পরে যোগ্য উপভোক্তাদের নাম বিডিও, মহকুমা শাসক এবং জেলা শাসকের কার্যালয়ে টাঙিয়ে দেওয়া হবে। যাদের নাম বাদ পড়েছে, প্রয়োজনে তাঁরা যাতে নিজের বক্তব্য বা কোনও অভিযোগ জানাতে পারেন তার জন্য প্রতি ক্ষেত্রে কমপ্লেন ড্রপবক্স রাখা হবে। অপর কোনও উপভোক্তার নামে কোনও অভিযোগ থাকলে সেটাও জানানো যাবে। ৭দিন ধরে সে‌ই সব অভিযোগ নিষ্পত্তির পর গ্রামসভা থেকে এলাকার আবাসে বাড়ি পাওয়া উপভোক্তাদের নামের তালিকা অনুমোদন করাতে হবে। তারপরই ব্লকস্তর ও জেলা লেভেল কমিটি চূড়ান্ত তালিকায় অনুমোদন(Banglar Bari Project Consumers) দেবে।

আরও পড়ুন, সব পরিষেবাতেই কাজ করতে হবে জুনিয়র ডাক্তারদের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

অর্থাৎ আবাসে টাকা অনুমোদন করার আগে বিভিন্ন পর্যায়ে উপভোক্তাদের যাচাই করা হবে। যাতে কোনওভাবেই বেনোজল ঢুকে না পড়ে। স্বচ্ছতার সঙ্গে তালিকা প্রকাশ করার জন্যই প্রায় তিন মাস ধরে প্রক্রিয়াটি চলবে। অ্যাপের মাধ্যমে কীভাবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করা হবে তার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যের জেলায় জেলায় সমীক্ষক দলে থাকা আধিকারিক ও কর্মীদের প্রশিক্ষণ চালু করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ উপভোক্তার তথ্য যাচাই করার কথা থাকলেও নতুন করে আরও আবেদনকারীর তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে উপভোক্তার সংখ্যা বাড়বে আরও কয়েক লক্ষ, মনে করছে রাজ্য। এদিকে রাজ্য সরকার একক ভাবে বাংলার প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষকে এভাবে বাড়ি বানোর টাকার যোগান দেওয়া শুরু করতে চলায় সব থেকে বেশি অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে কেন্দ্র সরকার ও কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। রাজ্যের পদক্ষেপে এবার থেকে বাংলার মানুষ আর কেন্দ্র অভিমুখী হয়ে থাকবে না। আর সেটা না থাকার কারণে বিজেপিকে ভোট দিতেই হবে এমন বাধ্যবাধকতাও থাকবে না। সেটাই এখন ভাবাচ্ছে পদ্মশিবিরকে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00