Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘গঙ্গার ভাঙন ঠেকাতে কিছু করছে না কেন্দ্র, এখন আবার বলছে তিস্তার জল দেবে’, ক্ষুব্ধ মমতা

তিস্তা থেকে গঙ্গা, ভাঙন থেকে বন্যা, অনেক কিছু বিষয়েই সোম বিকালের সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: গঙ্গা ভাঙন(Ganga Erosion) থেকে গঙ্গা জলবন্টন চুক্তি(Ganga Water Distribution Agreement), তিস্তা থেকে ডিভিসি(DVC), একের পর এক কেন্দ্রীয় বিষয় নিয়ে সোম বিকালের সাংবাদিক বৈঠকে নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। কেন্দ্র সরকার গত ১০-১২ বছর ধরে গঙ্গার ভাঙন ঠেকাতে কিছুই করছে না বলে এদিন মুখ্যমন্ত্রী যেমন দাবি করেছেন তেমনি দাবি করেছেন রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ ভাবে অন্ধকারে রেখে কেন্দ্র সরকার বাংলার দেশের সঙ্গে ফের গঙ্গার জলবন্টন চুক্তি করতে চাইছে। একই ছবি তিস্তার বুকেও। একদিকে কেন্দ্র সরকার সিকিমকে বাধা দেয়নি তিস্তার বুকে একের পর এক জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তুলতে, অথচ এখন উত্তরবঙ্গের মানুষকে বঞ্চিত করে তিস্তার জল তুলে দিতে চাইছে বাংলাদেশের হাতে। একই রকম ভাবে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ক্ষোভ ব্যাক্ত করেছেন ডিভিসির ভূমিকা নিয়েও।

এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গঙ্গার রোধে কেন্দ্র আজ পর্যন্ত এক পয়সাও খরচ করেনি। কিন্তু এটা কেন্দ্রেরই দেখার কথা। ১০-১২ বছর ধরে দেখছে না। ফরাক্কার ড্রেজিংও করেনি। অথচ যখন চুক্তি হয়েছিল তখন সেখানে বলাই হয়েছিল বাংলায় যাতে জলসঙ্কট তৈরি না হয় সেটা কেন্দ্র সরকার দেখবে আর গঙ্গা ভাঙন হলে সেখানেও কেন্দ্র পদক্ষেপ করবে। ৭০০ কোটি টাকা প্যাকেজও হয়েছিল। আমি তখন সাংসদ ছিলাম জানতাম। কিন্তু কোনওটাই করছে না। গঙ্গায় কোনও ড্রেজিং করেনি, এক পয়সা খরচ করেনি। ফরাক্কাও ড্রেজিং করেনি। বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির সময় কথা ছিল বাংলাদেশের জল যে যাচ্ছে আমাদের এখানে যেন সমস্যা না হয় ড্রেজিং করা হবে। ভাঙনে বহু বাড়ি তলিয়ে যায় তা তৈরি করে দেওয়া হবে বলা হয়েছিল। আজও দেয়নি। উল্টে আমাদের না জানিয়ে ফরাক্কা চুক্তি রিনিউ করবে বলছে। ফরাক্কা ড্রেজিং করে না তাতে বিহারও ভাসে। তবে বেশি ক্ষতি আমাদের হয়। কিন্তু ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে কথা হল, আমাদের জানানো হল না। দুর্ভাগ্যজনক খুব। ফরাক্কা চুক্তি রিনিউ হলে বিহারও ভাসবে। মূল পক্ষ আমরা। আমাদের জানানো হল না।’

এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আবার তিস্তার জলও দিয়ে দেবে বলছে। তিস্তায় জল আছে? বর্ষার জল দেখে গ্রীষ্মের জল যেন না ভাবি। সিকিম ১৪টা হাইড্রেল পাওয়ার করল। কেন্দ্রের দেখা উচিত ছিল। কিন্তু কেন্দ্রের কোনও মনিটরিং সিস্টেম নেই। আমরা বারবার বললেও নো অ্যাকশন। যার জন্য মানুষকে ভুগতে হয়। তিস্তার জল দিয়ে দেওয়া হলে উত্তরবঙ্গে কেউ পানীয় জল পাবেন না। আত্রেয়ী নদীর ওপর যে বাঁধ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ও চিনের, সেটা করার সময় আমাদের জানানো হয়নি। তাতে অনেক মানুষ পানীয় জল পাচ্ছেন না দক্ষিণ দিনাজপুরে। আগে ইন্দো বাংলাদেশের মিটিংয়ে ডাকত, সেখানে বারবার বলতাম। তাও ব্যবস্থা হয়নি।’ মুখ্যমন্ত্রী এদিন খোঁচা দেন ডিভিসিকে নিয়েও। তিনি বলেন, ‘ডিভিসি যখন তখন জল ছাড়ত, না জানিয়ে। বলে দিয়েছি না জানিয়ে জল ছাড়া যাবে না। দুর্গাপুর থেকে শুরু করে বীরভূম বর্ধমান ভাসে। ডিভিসি কতটা জল ছাড়বে আমাকে প্রতিদিন রিপোর্ট দিতে হবে। তথ্য নিয়ে আলোচনা করে আমরা তবেই অ্যালাও করব। মুকুটমণিপুর ড্যাম থেকে জল ছাড়লে বাঁকুড়া কিছুটা ভাসে। ২ লক্ষ কিউসেক মেট্রিক টন জল থাকতে পারে যদি ওরা ড্রেজিং করে। সেচ দফতরকে বলব শীঘ্রই সেচ মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলতে। ওদের বলুক। ওরা সিদ্ধান্ত নেবে আর ফল ভোগ করতে হবে বাংলাকে। ডিভিসি যখন তখন জল ছাড়বে আর আমাদের খানাকুল, আরামবাগ, গোঘাট, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম সব ভেসে যাবে। ডিভিসি কতটা জল ছাড়বে, আমায় রোজ রিপোর্ট দিতে হবে। একবারে ১০০ ছাড়া যাবে না। যখন দেখছে ৭৫ শতাংশ ভর্তি, তখন থেকে অল্প করে ছাড়লে সমস্যা হয় না। ওরা ড্রেজিং করে না। ডিভিসির জলাধারে ২ লক্ষ মেট্রিক টন কিউসেক জল থাকতে পারে জলাধারে। কিন্তু ওরা ড্রেজিং করছে না। মাইথন পড়ে রয়েছে।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00