Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কৃষ্ণনগর কাণ্ডে ধৃত রাহুল মুখ্যমন্ত্রীকে হটাবার দাবি পোস্ট করেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়

কৃষ্ণনগর কাণ্ডে নির্যাতিতার প্রেমিক রাহুল বসু সরাসরি আর জি কর কাণ্ডের আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। সে আবার সক্রিয় বিজেপি কর্মীও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: খুন নাকি আত্মহত্যা? ধর্ষণ নাকি গণধর্ষণ? প্রশ্নের উত্তর হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ। মেয়ের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই অ্যাসিড হামলা, গণধর্ষণ, খুন সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারও করা হয়েছে প্রেমিককেও। তারপরেও পুলিশের ওপর আস্থা নেই নির্যাতিতার পরিবার। এদিনই তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের(Calcutta High Court) দ্বারস্থ হচ্ছেন সিবিআই তদন্ত(Demand of CBI Enquiry) চেয়ে। কেননা নির্যতিতার মায়ের দাবি, তাঁর মেয়েকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে আর পুলিশ প্রমাণ লোপাট করে দিয়ে তা ধামাচাপা দিতে চাইছে। এরই মাঝে সামনে এসেছে নদিয়া(Nadia) জেলার কৃষ্ণনগর(Krishnanagar) শহরের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায়(Rape and Murder Case of a Young Woman) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া যুবক তথা নির্যাতিতার প্রেমিক রাহুল বসু(Rahul Basu) সরাসরি আর জি কর কাণ্ডের(R G Kar Incident) আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। তাঁরই ফেসবুক পোস্ট থেকে উদ্ধার হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি সম্বলিত একাধিক পোস্ট। ছেলেটি সক্রিয় বিজেপি কর্মী বলেও শোনা যাচ্ছে। তাই পাল্টা প্রশ্নও উঠছে, যে ছেলে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে, সক্রিয় ভাবে বিজেপি(BJP) করে, তাকে পুলিশ কেন বাঁচাতে যাবে!

 আরও পড়ুন, দাউ দাউ করে জ্বলছে বেলেঘাটার বন্ধ কারখানা, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা

বুধবার সকালে কৃষ্ণনগরে এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়েরাই দেহটি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরিবারের অভিযোগ, দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। আঙুল ওঠে তরুণীর প্রেমিকের দিকে। প্রাথমিক তদন্তে নেমে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপারের দাবি, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ধৃত যুবককে মূল অভিযুক্ত হিসাবে ধরে প্রাথমিক ভাবে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে ওই তরুণীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে এখনই ‘খুন’ বলতে রাজি নয় পুলিশ। পুলিশ সুপার অমরনাথ কে জানিয়েছেন, ‘তরুণীর মৃত্যুর নেপথ্যে ধর্ষণ না কি আত্মহত্যা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবার ইতিমধ্যে অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে উপযুক্ত ধারা যুক্ত করে আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত চলাকালীন যা তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাবে, সেগুলি তদন্তে সাক্ষ্য হিসেবে যুক্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে। ফরেন্সিক দলও আমরা চেয়ে পাঠিয়েছি। তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অ্যাসিড না অন্য রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়েছিল, তা জানতে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে। ঠিক কী হয়েছে তা জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন, ঠাকুর দেখতে বেড়িয়ে সপ্তমীর রাতে পার্ক স্ট্রিট থেকে নিখোঁজ তরুণী

অন্যদিকে নির্যাতিতার মায়ের দাবি, ‘আমার মেয়েকে রাহুল ও তার সঙ্গীরা মিলে ধর্ষণের পরে খুন করে। অ্যাসিড দিয়ে মেয়েকে পুড়িয়ে মেরেছে। মেয়ে রাহুলের সঙ্গে পিৎজ়া খেতে বেরিয়েছিল। আমাকে বলে গিয়েছিল। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি। গত কাল সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত যে ঘটনাপ্রবাহ দেখেছি, তার পরে আর পুলিশের ওপরে আস্থা রাখতে পারছি না। পুলিশ এক জনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু এটা এক জনের কাজ হতে পারে না। বাকিদের ব্যাপারে পুলিশের কোন উৎসাহ নেই কেন? পুলিশ একাধিক কাগজে সই করার জন্য চাপ দিয়েছে। এমনকি কাগজ না পড়িয়েই সই করানোর চেষ্টা করেছে। নিরপেক্ষ তদন্ত এবং যথোপযুক্ত সাজার জন্য মেয়ের খুনের তদন্ত করুক সিবিআই। সম্ভবত বৃহস্পতিবারই আইনজীবীর মাধ্যমে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানাব। প্রয়োজনে বাড়ি বিক্রি করে এই লড়াই চালাব।’ এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু হাসপাতালে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ‘নির্যাতিতার’ দেহের ময়নাতদন্ত হবে।  

আরও পড়ুন, সুপ্রিম নির্দেশের পরে পরেই রাজ্যে শুরু সিভিক সুমারির কাজ

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ এখনও পর্যন্ত জানতে পেরেছে, মেয়েটির সঙ্গে বেশ কয়েক মাস ধরে সম্পর্ক ছিল রাহুলের। ভিন্‌রাজ্যে একটি হোটেলে কাজ করে রাহুল। দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হবে বলেও স্থির হয়। তাই রাহুলের বাড়িতে মাঝেমধ্যেই যেত ওই তরুণী। তার পরেও এমন ঘটনা কেন, সেটাই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। গতকাল এই ঘটনার জেরে কৃষ্ণনগর টাউন থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। এমনকি সেই সময় পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে জুতো ছুঁড়ে মারতেও দেখা গিয়েছে বিক্ষোভকারীদের। মৃতার মায়ের অভিযোগ, ‘আত্মহত্যা করার মেয়ে নয় ও। ওর প্রেমিক আর তার বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ করে খুন করেছে ওকে। ওর স্বপ্ন ছিল পুলিশ হওয়ার। সেই পুলিশই এখন ঘটনাটা ধামাচাপা দিতে চাইছে।’ আবার ধৃত রাহুলের বাবা-মার অভিযোগ, তাঁদের ছেলে নির্দোষ। এখন দেখার বিষয় কলকাতা হাইকোর্ট নির্যাতিতার মায়ের মামলা গ্রহণ করে কী করে না। একই সঙ্গে দেখার বিষয়, আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কিনা।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00