Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

দলীয় কার্যালয়ে দলেরই নেত্রীকে মেরে হাসপাতালে পাঠালেন বিজেপি নেতা

দলেরই রাজ্য সভাপতির জেলায় দলেরই কার্যালয়ে দলেরই নেত্রীকে দলেরই নেতা এভাবে মারধর করায় এখন কার্যত নাক-কান কাটা যাচ্ছে পদ্মনেতাদের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মধ্যযুগীয় বর্বরতাও হার মানবে বিজেপি(BJP) নেতাদের কাছে। উত্তরবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর(Dakshin Dinajpur) জেলার গঙ্গারামপুর(Gangarampur) শহরে দলীয় কার্যালয়ে ডেকে বিজেপির টাউন মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদিকাকে মারধর করার অভিযোগ উঠল বিজেপিরই এক নেতার বিরুদ্ধে। বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের(Sukanta Majumdar) জেলাতেই এহেন ঘটনায় এখন চূড়ান্ত অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে পদ্মশিবির। আক্রান্ত মহিলা ভর্তি আছেন গঙ্গারামপুরে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। দলেরই কার্যালয়ে দলেরই নেত্রীকে দলেরই নেতা এভাবে মারধর করায় এখন কার্যত নাক-কান কাটা যাচ্ছে পদ্মনেতাদের। অন্যদিকে বাঁকুড়া(Bankura) জেলায় সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের নেতাদের বিরুদ্ধে পোস্ট করায় তিন বিজেপি নেতাকে শোকজ করেছে সেখানকার জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। সেই ঘটনার জেরেও মুখ পুড়ছে বিজেপির।

জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর বিজেপি পার্টি অফিসে রবিবার রাতে বিজেপির টাউন মহিলা সাধারণ সম্পাদিকাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির জেলা সম্পাদক কানাই বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। সেসময় কার্যালয়ে একাধিক ব্যক্তি উপস্থিত থাকলেও কেউ বাধা দেয়নি। আক্রান্ত বিজেপির টাউন মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদিকা ও বিজেপির জেলা সম্পাদক কানাই বিশ্বাসের বাড়ি একই এলাকায়। কোনও এক সময় ব্যক্তিগত কারণে কোনও টাকা ধার নেওয়ার বিষয় ঘটেছিল। সেই সূত্রেই কানাই বিশ্বাসের কাছে টাকা ফেরত চান ওই নেত্রী। আক্রান্তের অভিযোগ, গঙ্গারামপুরের পার্টি অফিসে তাঁকে ডাকেন কানাই মণ্ডল। সেখানে যেতেই তাঁকে ভিতরে ডেকে দরজা বন্ধ করে দেন কানাই মণ্ডল। তখন টাকা চাইতেই ওই তাঁর দিকে তেড়ে যান বিজেপির জেলা সম্পাদক। তাঁকে বেধড়ক মারধরও করা হয়। ঘটনার সময় পার্টি অফিসের ভিতর ও বাইরে অনেকে থাকলেও কানাইয়ের হাত থেকে তাঁকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেননি।  

ঘটনাটির জেরে এখন চরম অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি। দলের পার্টি অফিসের মধ্যে দলীয় দুই নেতা নেত্রীর মধ্যেকার এই ঘটনায় কার্যত আরও বড় বিতর্ক তৈরি করে বসেছে দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। কেননা তাঁরা নির্দেশ দিয়েছেন, কানাই বিশ্বাসের পাশাপাশি ওই নেত্রীও যেন আপাতত দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করেন। আর তার জেরে পাল্টা প্রশ্ন উঠেছে, যিনি নির্যাতনের শিকার তাঁকে সুবিচার না দিয়ে এখন দলেই তাঁকে একঘরে করে দেওয়া হল অভিযুক্ত কানাইকে বাঁচাতে। আক্রান্ত মহিলা বর্তমানে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ জমা প্রেনি বলেই জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে বাঁকুড়ায় বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে জেলা বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধে সরব হয়ে নানা পোস্ট করছিলেন বাঁকুড়া বিধানসভার বিজেপি আহ্বায়ক কৌশিক সিংহ, বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য রিঙ্কু শর্মা ও বিজেপি যুব মোর্চার প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি মোহিত শর্মা। দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এখন ওই তিন বিজেপি নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। জবাবে সন্তষ্ট না হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি জেলা সভাপতি। ওই তিন নেতা সামাজিক মাধ্যমে জেলা নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধে নানা রকম পোস্ট করছিলেন। তাদের পোস্টকে ঘিরে দলের অন্দরে আলোড়ন পড়ে। অনেকেই তাদের বক্তব্যের সমর্থনে কমেন্ট বক্সে নানান মতামত লেখেন। তার জেরেই এই তিন জনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। 

বাংলার প্রথম দফার ভোটের ৩ দরিদ্র প্রার্থীকে চেনেন?

‘‌মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব’‌, নির্বাচন মরশুমে বার্তা মমতার

জঙ্গলমহলে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী, মমতার পাশে থাকার বার্তা

‘‌তৃণমূলের পার্টি অফিসে, প্রার্থীর বাড়িতে তল্লাশি করছে’‌, কোচবিহার থেকে তোপ মমতার

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি, হরিণঘাটার ঘাসফুল কাউন্সিলরের গ্রেফতারে সরব তৃণমূল

0:00