নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য বিজেপির চার জেলা সভাপতি পদে রদবদল ঘটল। হঠাৎ করেই চারটি জেলার সভাপতি পদে রদবদল ঘটালেন বর্তমানে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য(samik Bhatatcharya)। দার্জিলিং জেলার নতুন সভাপতি হলেন সঞ্জীব তামাং। ব্যারাকপুর জেলার সভাপতি করা হল তাপস ঘোষকে। বনগাঁ জেলার সভাপতি দায়িত্ব পেলেন বিকাশ ঘোষ। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিজেপির নতুন সভাপতি হলেন তন্ময় দাস। এই চারটি জেলার সাংগঠনিক সভাপতি পদে রদবদল ঘটানোর পর শমীক ভট্টাচার্য সেই বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুনীল বনশাল, মঙ্গল পান্ডে, অমিত মালব্য, অমিতাভ চক্রবর্তী ও সতীশ ধন্দকে। যদিও নবনির্বাচিত এই চার জেলা সভাপতিকে গৈরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার(Sukanta Mazumdar)।
সূত্রের খবর, সুকান্ত মজুমদারের জমানায় থাকা বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের এবার সরানোর কাজ শুরু করে দিলেন শমীক। নিজের মতো করে বিভিন্ন জেলায় সংগঠন সাজাচ্ছেন বর্তমান রাজ্য সভাপতি। পুরনো এবং নতুনদের মধ্যে কোন দন্ড থাকবে না বলে প্রকাশ্যে মঞ্চ থেকে বার্তা দিলেও দায়িত্ব নিয়েই সংগঠনের অভ্যন্তরে নিজের পছন্দসই ব্যক্তিদের স্থলাভিষিক্ত করার কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলে বিজেপির একাংশের মত। ইতিমধ্যেই দিলীপ ঘোষ এবং শমীক ভট্টাচার্য জোট বেঁধেছেন বলে বঙ্গ বিজেপি ব্রিগেডের অনেক নেতা উষ্মা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। সুকান্তর জমানা শেষ এবং শমীক ভট্টাচার্যের রাজত্বের শুরু- এরকম মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই বেশকিছু জেলার নেতাদের নামে পোস্টার পড়তে শুরু করেছে। কোন কোন জেলার দায়িত্ববান নেতার ছবিসহ পোস্টার লাগিয়ে কাউকে বিরোধী দলের প্রাক্তন কর্মী বলে প্রচার করা হয়েছে। আগামী বছর বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন।
তার আগে সংগঠনকে মজবুত করে নয়া ধামাকা দিল্লি দেখতে চাই। বর্তমান বঙ্গ বিজেপি ব্রিগেডের সভাপতি এর কাছ থেকে। আন্দোলনের ঝাঁজ যাতে আরো বাড়ে সেই নির্দেশ ইতিমধ্যে দিল্লি থেকে দেওয়া হয়েছে বঙ্গ বিজেপিকে। লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রতিদিনই মিছিল এবং আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বঙ্গে প্রথম সারিতে পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই জায়গায় দলের তাত্ত্বিক বক্তা হিসেবে খ্যাত শমিক ভট্টাচার্য সংগঠনকে মজবুত করে বঙ্গ বিজেপিকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সুর সপ্তমে তুলতে পারেন কিনা তা আগামী সময় বলবে।