নিজস্ব প্রতিনিধি, বসিরহাট: গত শুক্রবার বসিরহাট মহকুমার মাটিয়া থানার গাংআটি গ্রামে দুই শিশু বাড়ি চত্ত্বরে বল নিয়ে খেলা করছিল। ওই সময়ে তাদের মধ্যে বল নিয়ে কাড়াকাড়িকে কেন্দ্র করে বচসা হয়। পাশেই কাকা কামারুল জামান কুড়ুল নিয়ে কাঠ কাট ছিলেন। হটাৎই সে মেজাজ হারিয়ে শিশু আমিনুরের মাথায় কুড়ুলের কোপ মারলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দশ বছরে ভাইপো আমিনুর জামানের। এই ঘটনার পর কাকা কামরুল জামান এলাকা ছেড়ে পালায়। সোমবার সকালে কামারুল জামানকে(Kamarul Jaman) হাড়োয়া থানার ধর্মতলা মোড় থেকে মাটিয়া থানার(Matia P.S.) পুলিশ গ্রেফতার করে।সোমবার দুপুরে তাকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজাত চেয়ে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, দুই নাবালক বন্ধুর মধ্যে মাঠে খেলার সময় বচসা। গন্ডগোলের জেরে খুনের অভিযোগ।উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাট(Bashirhat) মহকুমার মাটিয়া থানার চৈতা গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংআঁটি গ্রামের ঘটনা।বাড়ির পাশের একটি মাঠে বছর আটের দুই নাবালক বল নিয়ে খেলা করছিল। সেই সময় দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা, গন্ডগোল ও মারধর হয়। সেই সময় এক নাবালকের কাকা কামরুল জামান ঘর থেকে কুড়ুল এনে বছর ৮,এর আমিরুলের মাথায় কোপ দেয় ।রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।সেই খবর গ্রামে পৌঁছাতে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হয়।
বেগতিক বুঝে ঘটনাস্থল থেকে কামরুল জামান পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা গ্রাম জুড়ে। এর পিছনে শুধু কি দুই বন্ধুর মধ্যে খেলার ছলে গন্ডগোলের ঘটনা না এর পিছনে পুরনো শত্রুতা বা প্রতিবেশীর মধ্যে গন্ডগোল না জমি জায়গা নিয়ে গন্ডগোল আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা অফিসাররা । মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার পুলিশ মুর্গে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত কামরুলের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে মাটিয়া থানার পুলিশ। অবশেষে সোমবার গ্রেফতার হয়।