নিজস্ব প্রতিনিধি,ঝাড়গ্রাম: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য করে, সরকারি কৃষাণমাণ্ডিতে চাষীদের থেকে কুইন্টাল প্রতি তিন কিলোর জায়গায় ছয় থেকে সাত কিলো ধান বাটা নেওয়ার অভিযোগ উঠল ঝাড়গ্রামের(Jhargram) গোপীবল্লভপুর- এর কৃষি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। চাষীদের অভিযোগ, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন কিষান মাণ্ডিতে চাষীরা সরাসরি ধান দিতে পারবেন। সেইখানে প্রতি তিন কিলো বাটা নিতে পারবে। সেই জায়গায় দেখা যাচ্ছে যারা ধান কিনছেন, কোথাও ৬ কিলো বা তারও বেশি বাটা দিতে হচ্ছে চাষীদের(Farmers)। কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটবে, সেই নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ১ নং ব্লকের চাষিরা।
তবে এই বিষয়ে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হেমন্ত ঘোষ বলেন, এ ধরনের বিষয় এখনো পর্যন্ত আমি শুনিনি। খোঁজ নিয়ে দেখছি বিষয়টি। তবে মুখ্যমন্ত্রী যেটা বলেছেন সেটা আমি জানি। আমরা চাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যেটি রয়েছে সে অনুযায়ী চাষীদের থেকে বাটা কেটে ধান কেনা হোক। তবে এই বিষয়ে প্রশাসনের কোন আধিকারিক মুখ খুলতে নারাজ। এই প্রসঙ্গে গোপীবল্লভপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রঞ্জিত মহাকুল বলেন, এই বিষয়টি আমার জানা নেই। আমরা তদন্ত করে পুরো বিষয়টি দেখবো যাতে চাষীরা তাদের ন্যায্য মূল্য পান। চাষীদের আরও অভিযোগ,চাষিরা যাতে ফলনের ন্যায্য দাম পান, ফড়েরা যাতে লাভের গুড় খেয়ে যেতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। চাষিরা আরও বলেন, কিষান মান্ডিতেই ধান কেনা নিয়ে দুর্নীতি চলছে। এদিকে, ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ১। ঘটনাস্থলে উত্তেজিত জনতা ট্রাকে ধরালো আগুন। বাধা দিতে গেলে পুলিশকেও চলল মারধোর। এ ছবি ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুরের (Gopiballavpur)ধর্মপুর এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ দিন গোপীবল্লভপুরের দিক থেকে একটি খালি লরি হাতিবাড়ি হয়ে সুবর্ণরেখা যাচ্ছিল। সেই সময় গোপীবল্লভপুরের ধর্মপুর(Dharmapur) এলাকায় একটি মোটরসাইকেল আরোহীকে সজোরে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই বাইক আরোহীর। এরপর উত্তোজিত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় ট্রাকে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিস্থিতির সামাল দিতে গেলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপর চড়াও হয়। স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, মৃত ওই ব্যক্তি নাম এখনো জানা যায় নি। তবে ওই ব্যক্তির বাড়ি গোপীবল্লভপুরের পারুলিয়া এলিকায়। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন ।এলাকা বেশ উত্তেজিত। গোপীবল্লভপুর হাতিবাড়ী রাস্তা অবরুদ্ধ হয় বেশ কিছুক্ষণ।