Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

দিলীপের জমিতে জুনের সামনে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে অগ্নিমিত্রা

দিলীপের জমিতেই বিজেপির প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। বিপরীতে তৃণমূল নামিয়েছে অভিনেত্রী জুন মালিয়াকে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মেদিনীপুরের মাটি দুর্জেয় ঘাঁটি। বিপ্লবীদের বিচরণভূমি। বিদ্যাসাগরের বিদ্যার ভূমি। লালমাটির পাশাপাশি মেদিনীপুরের মাটিতে আছে সবুজ বনভূমিও। এই মেদিনীপুরের মধ্যে দিয়েই বয়ে গিয়েছে কংসাবতী, শিলাবতী। দীর্ঘদিন ধরেই এই কেন্দ্র ছিল বাম বিরোধীদের দখলে। কংগ্রেস, বাংলা কংগ্রেস, জনতা পার্টি সবাই সুযোগ পেয়েছে এই মাটি থেকে জিতে দিল্লির পথে দৌড় দিতে। এমনকি আজকের বিজেপির জন্ম যে জনসংঘের গর্ভ থেকে সেই ভারতীয় জনসঙ্ঘও সুযোগ পেয়েছে মেদিনীপুরের মাটি থেকে জিতে দিল্লির সংসদে হাজিরা দেওয়ার। তবে এর মধ্যেই আলাদা করে বলতে হয় নারায়ণ চৌবে, ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত ও প্রবোধ পাণ্ডার কথা। সিপিআইয়ের এই ৩ সাংসদ ১৯৮০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মেদিনীপুরের মাটিতে বামপন্থাকে আগলে রেখেছিলেন। কিন্তু ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর থেকে জিতে যায় তৃণমূল। ২০১৯ সালে আবারও পরিবর্তন। জিতে যান বিজেপির দিলীপ ঘোষ(Dilip Ghosh)। এবার সেই দিলীপের জমিতেই বিজেপির প্রার্থী(BJP Candidate) হয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল(Agnimitra Pal)। যার পরিচিতি আছে কিছুটা, কিন্তু নেই জনপ্রিয়তা। বিপরীতে তৃণমূল নামিয়েছে(TMC Candidate) অভিনেত্রী জুন মালিয়াকে(June Malia)। যিনি শুধু মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের দলের বিধায়িকাই নন, টলিউডের সুন্দরী অভিনেত্রীও।

মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রে(Midnapur Constituency) একসময় যতই বাম আধিপত্য থাকুক না কেন, সেখানকার মানুষকে লালপার্টির অত্যাচারও বিলক্ষণ সহ্য করতে হয়েছিল। গড়বেতার ছোট আঙাড়িয়া গ্রামের গণহত্যার খবর এখনও সবাই ভুলে যাননি। ভুলে যাননি কঙ্কালকাণ্ডের কথাও। ভুলে যাননি এই এলাকার মানুষের জঙ্গলমহলের বুকে ঘটে যাওয়া গণ অভ্যুত্থানের কথাও। অনের রক্ত ঝরে, অনেক মানুষের জীবনের বিনিময়ে মেদিনীপুরের মানুষ পেয়েছিল তাঁদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতা ছিল ৩৪ বছরের বাম অপশাসনের বিরুদ্ধে। লাল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। ১৯৮০ সাল থেকে বামেরা মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে লক্ষ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতলেও ২০০৯ সালে পরিবর্তনের ঝড়ের মুখে পড়ে শেষবারের মতো লাল পার্টি সেখানে জিতেছিল মাত্র ৪৮ হাজার ভোটে। ২০১৪ সালে সেই মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই বাম বিদায়ের ইতিহাস গড়ে তৃণমূল প্রার্থী তথা টলিউডের নায়িকা সন্ধ্যা রায় জিতে যান ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ভোটে। কিন্তু ৫ বছর বাদে সেই মেদিনীপুরের মাটি থেকেই জয়ী হলেন বিজেপির দিলীপ ঘোষ। ৮৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে দিলীপের সেই জয়ের নেপথ্যে ছিল বাম ভোট রামের ঝুলিতে যাওয়ার প্রবণতা। ২০১৪ সালে বামেরা এই মেদিনীপুর থেকেই পেয়েছিলেন প্রায় ৪ লক্ষ ভোট। অথচ ২০১৯ সালে সেটা এসে দাঁড়ায় মাত্র ৬২ হাজারে।

কেশিয়াড়ী, নারায়ণগড়, দাঁতন, খড়গপুর টাউন, খড়গপুর গ্রামীণ, মেদিনীপুর এবং এগরা এই ৭ বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে গড়ে উঠেছে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র। এদের মধ্যে এগরার অবস্থান পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। বাকিগুলির সবই রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের মাটিতে। এদের মধ্যে একুশের ভোটে বিজেপি জয়ী হয়েছে শুধুমাত্র খড়গপুর টাউন বিধানসভা কেন্দ্রে। বাকি ৬টিতে ফুটেছে ঘাসফুল। মানে তৃণমূল। সামগ্রিক ভাবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ৯০ হাজারেরও বেশি ভোটের লিড তুলে বসে আছে। সেই হিসাবে এই লোকসভা কেন্দ্রে খুব বেশি ঘাম ঝরানোর কথা নয় তৃণমূলের। তবুও টেনশান থাকছেই। কেননা রাজনীতির লড়াইয়ে অনেক অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে। তাই জুন মালিয়ার লড়াইয়ে তৃণমূল বিন্দুমাত্র শিথিলতা দিতে চায় না। তবে অগ্নিমিত্রাও খুব সহজ জমিতে পারছেন না দাঁড়াতে। কেননা দিলীপের অনুগামীরা গিয়েছেন বসে। পাশাপাশি বসে গিয়েছেন দলের আদি নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে বাম ভোট যা রামের ঝুলিতে গিয়েছিল চলে, সেই ভোট আবারও বাম মুখী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে লালপার্টির সভাতে, মিছিলে। তাই মেদিনীপুরের মাটিতে এখন চাপা টেনশান। কে জিতবেন সেটা বোঝা যাবে ৪ জুন ইভিএমের ঝাঁপি খুললে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00