Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রাতভর নবান্নে কাটিয়ে সকালেও ঝড়বৃষ্টির নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা

রাত পেরিয়ে সকাল হয়েছে। এখনও নবান্ন থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাচ্ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। খোঁজ নিচ্ছেন ক্ষয়ক্ষতির।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার বিকালেই সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন রাতভর থাকবেন নবান্নে(Nabanna)। ঝড়ের ওপরে চালাবেন কড়া নজরদারি। সেখা গেল রাত কেটে ভোর হয়ে সকালেও সেই নবান্নে বসেই ঝড়বৃষ্টির ওপর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। শুক্রবার ভোর রাতে প্রবল শক্তি নিয়ে ‘ডানা’(Cyclone Dana) আছড়ে পড়েছে ওড়িশার বুকে। দিল্লির মৌসম ভবন জানিয়েছে, ডানার স্থল্ভাগে ঢোকার প্রক্রিয়া শুরু হয় রাত সাড়ে এগারোটায়। তবে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ‘রেডার সার্চ’(Radar Search) প্রযুক্তির মাধ্যমে ঝড়ের ল্যান্ডফল-এ নজর রেখেছিলেন সন্ধ্যা থেকেই। ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিমি বেগে ডানার ল্যান্ডফল লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে ধামরা সহ আশেপাশের এলাকা। রাত পেরিয়ে সকাল হয়েছে। এখনও নবান্ন থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাচ্ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলছেন উপকূলবর্তী জেলাগুলোর জেলাশাসকদের সঙ্গে। খোঁজ নিচ্ছেন ক্ষয়ক্ষতির।

আরও পড়ুন, ‘বাংলা তো জল হজম করার জায়গা হয়ে গিয়েছে’, ডিভিসি-কে নিশানা মমতার

পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাতে নবান্নে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খুলেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর(Disaster Management Department)। সেখানেই রাত কাটান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। উপস্থিত ছিলেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের প্রাক্তন অধিকর্তা গোকুল চন্দ্র দেবনাথও। ছিলেন রাজ্যের বিপর্যায় মোকাবিলা দফতরের মন্ত্রী জাভেদ খানও। গতকাল সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে বার্তা দিয়েছিলেন। তারপরেও রাতে সোশ্যাল মিডিয়া মারফত জানান, ‘আমার রাজ্যবাসী যখনই কোনও বিপদের সম্মুখীন হয়েছে, আমি দিবারাত্রি তাঁদের পাশে থেকেছি। এবারও তার পরিবর্তন হয়নি। আজ নবান্নে, রাজ্যের এমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে ঘূর্ণিঝড় দানা পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের সরকার, প্রশাসন এবং সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধিরা সর্বদা আপনাদের সেবায় প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই আমরা যা যা করণীয় সব করেছি। আপনারা ভয় পাবেন না, আতঙ্কিত হবেন না। সতর্ক থাকুন। আমরা আছি সর্বক্ষণ আপনাদের রক্ষার্থে।’   

আরও পড়ুন, দুর্যোগ মোকাবিলায় নজর রাখতে রাতে নবান্নেই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

গতকাল সন্ধ্যা থেকে হাল্কা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সর্বত্র। উপকূলবর্তী এলাকায় রাত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার তীব্রতা। সেই সঙ্গে প্রায় ৫ ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়তে শুরু করে। রাত বাড়তেই পূর্ব মেদিনীপুরের দীঘায় প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। সঙ্গে বৃষ্টি। উত্তাল হয়ে ওঠে সমুদ্রও। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জেলাগুলিতে যাওয়া প্রধান সচিবরাও সেখানকার অফিসে রাত জেগে পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছেন। রাতভর বিদ্যুৎ দফতরের কন্ট্রোল রুমে ছিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও। রাতের মধ্যে রাজ্যের দু’লক্ষেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার বাসিন্দা। তবে সূত্রের খবর, আশঙ্কা থাকলেও এই রাজ্যে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি ‘ডানা’। এমনকি রাজ্যের উপকূলবর্তী দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেও বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর আসেনি। আবহাওয়া দফতর অবশ্য জানিয়েছে, শুক্রবার দিনভর বৃষ্টি চলবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। অতিভারী বৃষ্টি হবে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00